news

TikTok সহ ৫৯টি চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ ভারতে !

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক  : https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1288201434904323&id=281348048596429লাদাখে গালওয়ান ভ্যালিতে চীনা হামলার পর থেকেই চীনা দ্রব্য বয়কট করার পক্ষে সওয়াল করেছিল ভারতের মানুষ।

চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করার বিষয়েও আলোচনা চলছিল সরকারি স্তরে। কী কী চীনা অ্যাপ রয়েছে, সেই তালিকা আগেই চেয়েছিল কেন্দ্র। এবার সরাসরি নিষিদ্ধ করে দেওয়া হল একগুচ্ছ অ্যাপ।

এর মধ্যে সবার উপরে রয়েছে জনপ্রিয় অ্যাপ টিক টক। যে অ্যাপের মাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেন বহু মোবাইল ব্যাবহারকারী। আর সেটি একটি চীনা অ্যাপ। তাই লক্ষ লক্ষ সাবস্ক্রাইবার থাকা সত্বেও নিষিদ্ধ করে দেওয়া হল সেই অ্যাপ। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক জনপ্রিয় অ্যাপ।

এর মধ্যে রয়েছে জেন্ডার, শেয়ার ইট-এর মত অ্যাপ। যেগুলি বহুল প্রচলিত। এছাড়া শাওমি-র বেশ কিছু অ্যাপ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এর আগেও একাধিকবার ভারতীয়দের ব্যক্তিগত তথ্য, সার্চ হিস্টরি ইত্যাদির উপর নজরদারি বা তথ্য হাতানোর মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে একাধিক চীনা সংস্থার বিরুদ্ধে।
শুধু ভারতীয়দেরই নয়, দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ব জুড়ে iPhone ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য ও কার্যকলাপের উপর নজরদারি চালাতো TikTok। অনেক সাইবার বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, ব্যবহারকারীদের ক্লিপবোর্ড অ্যাকসেস করে হয়তো তাঁদের ব্যক্তিগত মেসেজে পর্যন্ত আড়ি পেতেছে এই চীনা অ্যাপ।

এদিকে, লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল থেকে অনেকটাই এগিয়ে এসেছে ভারত। চীনের গালওয়ান ভ্যালিতে অন্তত ৪২৩ মিটার ঢুকে এসেছে চীনের সেনাবাহিনী। ১৯৬০ সালে বেজিং যে অংশকে নিজেদের এলাকা বলে চিহ্নিত করেছিল, সেখান থেকেও এগিয়ে এসেছে তারা।

news

Chinese companies prohibit Pakistani employees from namaz

Esaharanews Desk : Some Chinese companies operating in Pakistan do not seem to allow time to Pakistani employees to offer namaz, one of the five basic tenets of Islam.

In a video that surfaced on social media on June 26, a Muslim cleric, while delivering a sermon, is urging Pakistanis to be firm and tell the Chinese that in Pakistan “they’ll have to follow local laws and the country does not belong to them.”

“We cannot ignore namaz. People are afraid that they will lose their jobs. But it has now become a matter of self respect for us,” the cleric is saying in what appears to be a sermon.

China is known to be an all-weather ally; a ‘dearest friend’ of Pakistan, from playing a central role in Asia’s geopolitics to being the greatest economic hope and the most trusted military partner. But Beijing’s continued and aggressive repression of homegrown Chinese Muslims, especially the Uighur ethnic minorities in its northwestern Xinjiang province, may soon enable the mainland to losen its grasp on Pakistani public opinion. And amid such condition Beijing will obviously find Pakistan a difficult ally to work with.

In a misguided attempt to thwart a terrorism problem that China primarily associates with the country’s Muslim Uighur population, the city of Karamay in Xinjiang banned “men with beards and women with Muslim headscarves” from using public transportation. Additionally, the declaration bans people sporting the Islamic star and crescent from using public transport as well.

China’s discrimination against Muslims is growing. The domestic consequences of its policies is controversial. However, according to media reports, Beijing, in 2014, publicly spoke with leaders from both Afghanistan and Pakistan about concerns over the uighurs staging attacks against the Chinese populations. While the governments in Kabul and Islamabad expressed interest in complying with the Communist Party’s request to better monitor their northern borders, China still faces the prospect of alienating the Pakistani and Afghan public with its policies of religious intolerance.

news

শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে আরো দৃঢ় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দৃঢ় সম্পর্কের সোনালী অধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভি মুরালিধরন। ‘বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য: সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক ডিজিটাল সম্মেলনে সোমবার (২৯ জুন) তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সম্মেলনের আয়োজন করে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)।

ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভি. মুরালিধরনের পাশাপাশি এখানে অংশ নেন দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহম্মদ ইমরান, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ। ডিজিটাল এই সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন- এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, ভারতের এক্সিম ব্যাংকের এমডি ডেভিড রাজকুইনহা, সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি, ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট আব্দুল মাতলুব আহমেদ।

সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভি. মুরালিধরন বলেন, ‘২০১৪ সাল থেকে দুই দেশের সম্পর্কের খুব উন্নয়ন ঘটেছে। এই সময় থেকে দুই দেশের স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন হয়েছে, সমুদ্র বিরোধ নিষ্পত্তি হয়েছে, কানেক্টিভিটি চুক্তি সই হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে ১ হাজার ৭৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ৭ দশমিক ৪ মিলিয়ন ভিসা ইস্যু করা হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ৪০টির বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে ভারত।’

তিনি আরো বলেন, করোনা মহামারিকালে দুই দেশ সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে উঠতে পারে।

সম্মেলনে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত সংযোগ, নদী, রাস্তা এবং অন্যান্য সংযোগের কারণে দুই দেশের জন্য যেই সুযোগ রয়েছে তার সর্বোচ্চটা উভয় দেশের জন্য কাজে লাগানো উচিত। সেই সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় উভয় দেশ সহ-অবস্থানের বিষয়েও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানান তিনি।

ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান বলেন, বর্তমানে সবদিক থেকেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সর্বোচ্চ শিখরে রয়েছে। এই করোনা পরিস্থিতি সামলাতে উভয় দেশকে কাছাকাছি থেকে কাজ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

news

চীনা মার্শাল আর্টের জবাব দেবে ভারতের ভয়ঙ্কর ঘাতক কমান্ডো!

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: চলমান উত্তেজনার মধ্যেই লাদাখ সীমান্তে চীন মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্তবাহিনী মোতায়েন করেছে এবং তাদের জবাব দিতে ভারতও ‘ঘাতক’ কমান্ডো প্রস্তুত রেখেছে।

সম্প্রতি চীনের নতুন কৌশল সামনে আসার পরই ভারত এ বাহিনী প্রস্তুত করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম জিনিউজ।

ওই বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কমান্ডো বাহিনী সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমটি জানাচ্ছে:

কর্নাটকের বেলগামে ৪৩ দিন ধরে তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। শারীরিক ক্ষমতা আরও বাড়াতে কড়া প্রশিক্ষণ দেয়া হয় তাদের। প্রশিক্ষণের সময় ৩৫ কেজি ওজন নিয়ে ৪০ কিলোমিটার ছুটতে হয় তাদের। অস্ত্র প্রশিক্ষণ ছাড়াও ঘাতক কমান্ডোদের হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাটের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তারা মার্শাল আর্টে দক্ষ।
মরুভূমি ও দুর্গম এলাকার জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ দেয়া হয় এই ‘ঘাতক’ কমান্ডোদের। ঘাতক কমান্ডোদের এক ইউনিটে একজন অফিসার ও একজন জেসিওসহ ২২ জন কমান্ডো থাকেন।
ঠিক একইরকমভাবে আরেকটি দল রিজার্ভে প্রস্তুত থাকে।
ফলে সবমিলিয়ে একটি ইউনিটে ৪০ থেকে ৪৫ জন ‘ঘাতক’ কমান্ডো থাকেন।

উল্লেখ্য, ১৫ জুন পূর্ব লাদাখের গালোয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আগে তিব্বতের স্থানীয় ক্লাবগুলি থেকে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষকদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করেছিল চীন। সূত্রের খবর, চীনা সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য সম্প্রতি তিব্বতে পাঠানো হয়েছে আরো প্রায় ২০ জন মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষককে। চীনের এই কৌশল সামনে আসতেই LAC-তে পাল্টা ‘ঘাতক’ কম্যান্ডোদের মোতায়েন করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

news

India must believe threat of war is real, even if Chinese build-up is coercive diplomacy

Esaharanews Desk : Why have the Chinese ratcheted up a war-like situation and piled up their forces with the heavy stuff along Ladakh? What is it that they want from India? How India should respond will depend on our reading of this.

Not surprisingly, this has spawned an industry of Sinologists, geo-strategists and military-planners. Besides, we keep falling back on the odd words of strategic wisdom inherited from Sun Tzu or Kautilya. With Clausewitz and Machiavelli occasionally surfacing like an item number in a Hindi movie. For the ancient duo, you can attribute just about anything to them, as people often do about Confucius or Buddha. Nobody can fact-check you out of it.

If the first presumption, that today’s big powers still act on strategic wisdom inherited from more than two millennia ago, isn’t dodgy enough, check out the other one. Oh, the Indians are still caught with their chess mindset, while the Chinese play Go.

In chess, you target the opposing king. No such problem with Go. It involves the creation of several knots and blocks to throttle the adversary until he is down on his knees.

Once again, interesting thinking, especially in an era when WhatsApp is the divine fountain that spreads intellect around the world. And when all those who’ve been epidemiologists and virologists lately can become entomologists overnight when the locusts arrive, and psychiatrists when Sushant Singh Rajput dies, have now become grand strategists.

There is twin peril in letting cultural stereotypes take over our minds. Today’s China and India are systems with new complexities that cannot be explained in such generalisations. That closes our minds.

As long as we remain caught in these cultural and ethnic traps, the fog in our minds will only get thicker (sorry, Clausewitz fans). But if you switch to current reality, you might find some plausible answers.

So, what are the Chinese up to in Ladakh? What do they want?

Go back about 20 years and see how India has been dealing with Pakistan. And remember that strategic concept that India invented: Coercive diplomacy.

I can’t say for sure who invented this brilliant two-word formulation, Jaswant Singh or the late Brajesh Mishra. One of them did, to explain Op Parakram that India launched in December 2001, after the terror attack on our Parliament. It entailed piling up Indian forces along the borders — heavy stuff, live ammunition and all — as if every bit poised for war. Seems familiar when you look across the LAC, eastwards?

Could it be that rather than applying any ancient wisdom, the Chinese have taken a leaf out of our book? That their unprecedented and somewhat-too-visible build-up is their own attempt at coercive diplomacy with India? And if so, what is it that they could be expecting as a quid pro quo?

It can’t be a few morsels of territory in Ladakh. That will be too minimalistic for such a risky move. Nor can it be an acceptance of CPEC, or formal ceding of Aksai Chin, or a Tawang-sized capitulation in the east. That is too maximalist. It will never happen. So, what is it that the Chinese want in return for their exertions in the rarefied air at 14,000 feet?

Let’s presume for now that the Chinese are playing the game of coercive diplomacy: You want us off your backs, do this, deliver that, be good boys here. Or, maybe a combination of all three. What could these be, how might the game unfold hereon, and what’s the best way for India to respond?

More recent, and recorded references and parallels are much more realistic than any ancient wisdom or mantras. What did India achieve with its coercive diplomacy? What were its objectives? How did the Pakistanis respond?

I appreciate the risks in using that parallel. India is not Pakistan, of course. Never. But we are only wargaming. You can use ‘green land’, ‘yellow land’ or whatever.

India wanted Pakistan to guarantee that it gives up the use of terrorism as an instrument of state policy. That was achieved within a month of the Parliament attack, when Musharraf made exactly those commitments in an address broadcast worldwide. In fact, he went so far as to acknowledge the list of 24 terrorists in Pakistan wanted in India, including Dawood Ibrahim, and promised to look for them and turn them over “because it is not as if we’ve given them asylum here”.

India wanted something more tangible and the war-like stand-off continued. It nearly got out of hand a couple of times, especially when terrorists attacked the families of Indian soldiers at Kaluchak cantonment near Jammu. But, restraint prevailed, partly because of foreign pressure on Pakistan, but mostly because India had never intended to go to war.

I had then asked all key players on our side — Jaswant Singh, Brajesh Mishra and Atal Bihari Vajpayee — if the risk of an uncontrollable escalation wasn’t always there. The answer Mishra gave me, in a Walk The Talk interview on NDTV, was that for coercive diplomacy to work, the threat had to be so real that even we’d start to believe it. It was brinkmanship of the stronger power. Seems familiar, again, as you look east of LAC?

India achieved much from that policy. It bought us peace for several years afterwards. Of course, nobody expected Pakistan to keep its word forever. But we have to also underline what each side did right and didn’t.

India began brilliantly to launch a realistic build-up, but missed a trick in not knowing when to declare victory. It could have been done the day Musharraf made that speech. Pakistan had erred in blinking so early in the game. If India had declared victory then and called off the build-up, the gain would have been no more or less than what came eventually, but an enormous cost, attrition and uncertainty would’ve been avoided. It would’ve also been a clearer victory of coercive diplomacy. Our expectations were somehow maximalist.

The Pakistanis, on the other hand, recovered in the course of time and decided to stay put in defence, to tire India out. And they succeeded too. After a while, the stand-off became pointless and petered out like a dull draw on day five of a cricket Test.

Here are the lessons India can take forward then, being at the other end of the same equation:

1. Never blink. Stay put. Be reasonable, negotiate behind the scenes with an open mind. But never blink as Musharraf had done so early.

2. Take your time reading what the other side wants. Is it closer to the minimalist or the maximalist end? See what quid pro quo might be suitable. But concede nothing under duress.

3. Be prepared for the long haul. If your reading is that the Chinese are playing coercion, and their expectations are unrealistic, let them sit there while you dig in across the LAC, fully prepared. Wear them out.

4. And finally, remember, no two situations are alike. No two games, in love, sport or war, play out exactly the same way. So be prepared in case push comes to shove. Remember Brajesh Mishra’s words: For coercive diplomacy to work, the threat of war had to be so real even we believed it. Similarly, the way to counter it is also to imagine the threat of war, from the other side, is so real that you start believing it.

news

Ladakh Standoff: India’s Allies Pitching In With Weapons And Ammunition

Esaharanews Desk :  As Indian troops remain dug in at Ladakh in a prolonged standoff with China, allies are pitching in with commitments to deliver urgently needed weapons and ammunition for the Indian armed forces. France has promised to deliver additional Rafale jets next month, an in-service Israeli air defence system is expected soon, precision artillery rounds will be sent by the US, and Russia will make early deliveries of ammunition and weapons worth $1 billion.

The commitments have been made after top-level bilateral talks and a key meeting in the capital at which it was decided that emergency financial powers will be given to the armed forces to prepare for a prolonged standoff in eastern Ladakh.

The first set of cutting-edge Rafale fighter jets – equipped with perhaps the world’s best long-range air-to-air missiles – is expected to reach India by July 27. As per the initial plan, four fighters were to reach the home base at Ambala next month but sources said that France has now made a commitment to send additional Rafales in the first batch. A total of eight aircraft are nearing certification but it is unclear how many additional fighters could be delivered early.

Ferried by Indian Pilots
The planes will be ferried by Indian pilots who have been trained in France and will be fully combat ready when they arrive at Ambala. Sources said that in support of early delivery, France has committed that it will deploy its aerial refuelers to ensure that the jets make it to India with just a single hop.

Key defence supplier Israel – which showed its commitment as a reliable partner during the Kargil war too – is expected to deliver a much-needed air defence system that will be deployed along the border. Sources said that the unnamed air defence system is likely to come from the current holdings of the Israeli defence forces and would supplement the Ladakh sector. This would be useful as the Chinese side is said to have deployed its newly acquired S-400 air defence system in the sector as well.

India’s largest defence supplier Russia has pledged urgent delivery of weapons, ammunition and missiles that India asked for during the recent visit to Moscow by defence minister Rajnath Singh. A detailed list has been shared by India for several dozen requirements that would cost in excess of $1 billion and a commitment has been received from Russia of delivery within weeks.

Given that most land-based systems such as tanks and armoured carriers are of Russian origin, India is looking for a variety of ammunition that will be required in the event of a larger conflict. The air force is looking for urgent supply of air-dropped bombs and missiles while the army requires anti-tank missiles and man-portable air defence systems for the border.

India’s newest strategic partner – the US – has already been helping out with vital intelligence and satellite imagery that give military planners clarity on the border situation. Sources said that the US has invited India to share a list of all requirements with a commitment to be of assistance at the earliest.

In particular, additional Excalibur artillery rounds have been ordered on an emergency basis. The precision attack rounds with a range of over 40 km are used in a variety of artillery guns in the Indian inventory, including the M 777s that are designed for mountain warfare. These rounds are known for their accuracy and damage potential and have been tried and tested by the army.

news

Pakistan involved in efforts to illegally acquire nuclear tech from Germany: Official report

Esaharanews Desk : The report for the year 2019 was made public by authorities in Baden-Württemberg on June 16. This is the second time in less than six months that German authorities have expressed concern about Pakistan’s efforts to illegally procure technology used in atomic weapons.

Pakistan and North Korea continue to be involved in attempts to illegally obtain nuclear products and know-how from German hi-tech companies as part of efforts to develop their atomic weapons programmes, a new report by German authorities has said.

The annual report from the Office for the Protection of the Constitution in Baden-Württemberg, a state in southwest Germany, said the country is an “important area of operation” for clandestine efforts by Pakistan, North Korea, Iran and Syria to obtain nuclear technology as it is a leading industrial nation and home to numerous hi-tech firms.

The report for the year 2019 was made public by authorities in Baden-Württemberg on June 16. This is the second time in less than six months that German authorities have expressed concern about Pakistan’s efforts to illegally procure technology used in atomic weapons.

The report, which is in German, said: “Iran, Pakistan, North Korea and Syria are still pursuing such efforts. They aim to complete existing arsenals, perfect the range, deployability and effectiveness of their weapons, and develop new weapons systems. They are trying to obtain the necessary products and relevant know-how…through illegal procurement efforts in Germany.”

Such countries also “constantly develop and optimise their procurement methods” to circumvent existing export restrictions and embargoes, the report said.

“To conceal the actual end user, they can procure goods in Germany and Europe with the help of specially established cover companies and, in particular, transport dual-use goods to risk states. Typical bypass countries include the United Arab Emirates, Turkey and China,” the report added.

Potential sources of nuclear know-how are universities, non-university research institutions and research and training departments of companies, the report said.

“In order to minimise risks, the State Office for the Protection of the Constitution sensitises those responsible to make them aware of the danger and possible consequencesof illegal knowledge transfer,” it added.

In a specific section on Pakistan, the report said the country has operated an extensive programme for nuclear weapons and delivery systems for many years. “This is primarily directed against the ‘arch enemy’ India, which also possesses nuclear weapons. For maintenance and further development, Pakistan is dependent, among other things, on the acquisition of Western technology and procedures,” the report said.

“In addition to the acquisition of products (dual-use goods), the secondment of scientists to universities, institutes or research establishments is also important. This also applies to institutions in Baden-Württemberg.”

In November last year, the German government had responded to a question from several lawmakers of die Linke (Left Party) by saying it believed there has been a “sharp increase” in Pakistan’s activities in recent years to illegally procure technology used in nuclear, biological and chemical (NBC) weapons.

The government’s reply dovetailed with concerns expressed by Bundesamt für Verfassungsschutz (BfV), the domestic intelligence service, which had said in a 2018 report on proliferation-related matters that there has been a “massive increase” in Pakistan’s attempts to clandestinely procure nuclear goods in Germany and other Western countries.

copy : eibela

news

US puts Pakistan on the ‘Tier 2 Watch List’ on its trafficking scale

Esaharanews Desk :  Stating that the Government of Pakistan does not fully meet the minimum standards for the elimination of trafficking, the US downgraded the south Asian country to  the ‘Tier 2 Watch List’ on the country trafficking scale.

The crucial US State Department Trafficking in Persons (TIP) report for the year 2020 was published by Secretary of State Mike Pompeo on Thursday.

“The Government of Pakistan does not fully meet the minimum standards for the elimination of trafficking but is making significant efforts to do so,” the report said.

” The government significantly decreased investigations and prosecutions of sex traffickers, and Punjab province, where over half of the population resides, continued to disproportionately report nearly all antitrafficking law enforcement efforts, including 98 percent of convictions. As in previous years, only two of Pakistan’s six provinces convicted any traffickers. Law enforcement efforts against labor trafficking remained inadequate compared to the scale of the problem,” said the report.

” Unlike the previous reporting period, the government did not take action against credible reports of official complicity in trafficking, and organizations reported official complicity and corruption led to several high-profile trafficking cases being dropped during the year. The government continued to lack overall adequate resources for victim care, and only referred four percent of all victims identified to care,” it said.

Highlighting the condition of women, children and minorities in the country, the report said: ” Reports estimate more than 70 percent of bonded laborers in Pakistan are children. Traffickers also target lower-caste Hindus, Christians, and Muslims specifically for forced and bonded labor.”

” Pakistan is a destination country for men, women, and children subjected to forced labor—particularly from Afghanistan, Bangladesh, and Sri Lanka. Chinese men working in construction may be vulnerable to forced labor in Pakistan. 

Traffickers exploit women and girls—and, to a lesser extent, boys—from Afghanistan, Iran, and other Asian countries in sex trafficking in Pakistan,” it said.

news

Human rights activists take to streets in Tokyo against Chinese President Xi Jinping

Esaharanews Desk :   Since the past few years, it is quite evident that the highly ambitious Xi Jinping is aggressively trying to expand and encroach territories of its neighboring countries. 

Several human rights activists of various nationalities took to streets on Sunday (June 28) at the famous Hachiko statue near Shibuya station in Tokyo (Japan) to protest against the Chinese President Xi Jinping. 

People from countries like Japan, India, Taiwan, and Tibet gathered to protest within the context of Xi Jinping being criticized around the world for a dictatorial style of working – a trait which is unbecoming of an aspiring world leader. 

Since the past few years, it is quite evident that the highly ambitious Xi Jinping is aggressively trying to expand and encroach territories of its neighbors like Japan, Philippines, Vietnam, India, and Bhutan, either by force or by grand, opaque and dubious Belt and Road Initiative (BRI) and One Belt One Road (OROB) projects.

While denying democracy to the Chinese citizens, the Chinese dictator is trying everything within his means to suppress the genuine voices of pro-democracy youth activists in Hong Kong which is beset with pro-democracy protests for over a year now. 

Till the 1950s, Tibet used to be a beautiful peace-loving Buddhist country which has been swallowed by Chinese expansionism. 

On the other hand, a highly advanced and progressive country such as Taiwan is also facing various pressure tactics from China and was recently denied representation at WHO at China’s behest – even though Taiwan was one of the two countries in South East Asia, other being Vietnam. 

Had the WHO paid heed to the early alarm raised by the Taiwanese health authorities regarding COVID-19, the global devastation wrought upon by COVID-19 would have been greatly mitigated and reduced. 

Chinese army gets most advanced vehicle-mounted howitzer amid India-China border standoff in eastern Ladakh

Within this context, Xi Jinping’s surreptitious handling of the coronavirus and lack of transparency has raised eyebrows against him.

Xi Jinping, like a typical dictator, has manipulated the Chinese Communist system to secure himself as a lifelong Chinese President. 

Even Chinese citizens are also at the receiving end and they also would like to get rid of Xi Jinping’s dictatorship, which is evident by the huge support being received by the protestors in Hong Kong.

The entire world is joining hands and uniting in its fight against COVID-19 where many countries have exchanged medicines and other medical equipment – either at subsidized rates or free on humanitarian grounds. 

However, many countries have complained about receiving faulty equipment including faulty test kits from China. 

This may be due to genuine quality control issues but what is more shocking is that under the given situation, the People’s Liberation Army (PLA) under Xi Jinping’s leadership has been caught initiating unprovoked violence in the Galwan valley in eastern Ladakh violating the agreement between India and China. 

The violent face-off between the two countries led to the martyrdom of 20 Indian Army soldiers and reportedly, more than 43 PLA soldiers were also killed. 

While the world’s largest democracy India has duly disclosed the details of the casualties on the Indian side and paid rich tributes to all the martyrs, China under Xi Jinping has been again caught for hiding the casualties in the PLA. 

To hide Chinese humiliation by Indian soldiers, Xi Jinping’s regime has not even paid tributes to its soldiers who were attained martyrdom to fulfil Xi Jinping’s ambitions.
 
Given this despicable behaviour on the part of the Chinese President, even Chinese citizens need support from human right activists across the world to put pressure and replace the malevolent dictatorship in China with a responsible democracy. 

Protests on Sunday witnessed the same demand to replace Xi Jinping, a dictator, with a responsible leader who shall be democratically elected by the Chinese people.

copy : eibela

news

হিন্দু জাগরণের জন্যে আর কতো সময়ের প্রয়োজন ?

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: অষ্টম শতকে ভারতভূমিতে উদ্ভুত, ‘বিষয়-বৈরাগ্যবাদ, উত্তেজক পুষ্টিকর খাদ‍্য পরিহার ও কামনা-বাসনা ত‍্যাগ’ – প্রভৃতি আধ‍্যাত্মিক তত্ত্ব ছিল সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ও আত্মঘাতী। পক্ষান্তরে তৎকালীন শক্তির মূল আধ‍্যাত্মিক তত্ত্বই হচ্ছে, ‘ভূমি বৃদ্ধি ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি’। বর্ণভেদ ও আত্ম-অভিমানের কারণে হিন্দুরা তুচ্ছ অজুহাতে সমাজ থেকে লোক তাড়িয়েছে, বাইরে থেকে লোক আনতে পারে নি। হিন্দুরা সমাজ থেকে যাদের তাড়িয়ে দিয়েছে অন্যেরা তাদের দলে ভিড়িয়ে শক্তিবৃদ্ধি করেছে।

সময়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আধ‍্যাত্মিক মতাদর্শ সৃষ্টি করতে না পারার ফলে শতভাগ হিন্দু অধ্যুষিত ২৩ টি দেশ থেকে হিন্দুরা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে; বাকি আছে শুধু ভারত ও নেপাল। হিন্দুরা যদি সময়পযোগী আধ্যাত্মিক দর্শন প্রবর্তন করতে না পারে এবং হিন্দু-বিনাশী ধর্মনিরপেক্ষ কালাকানুন-সমূহ বিলোপ না করে তাহলে অদূর ভবিষ্যতে ভারত ও নেপালে হিন্দু খুঁজে পাওয়া মুশকিল হবে।

হিন্দুরা একে অপরকে দোষারোপ করতে ব্যস্ত। হিন্দুদের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শত্রু হিন্দুই। একজন অন্যের বিপদ দেখলেও অযথা তারই সাথে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হয়। অথচ তাদের শত্রুরা কি ভয়ানক ছলনার জাল বিছিয়ে রেখেছে সাধারণ হিন্দুরা তা বুঝতে অপারগ। হিন্দুজাতি, এখনও সময় আছে – সচেতন হও এবং চরম বৈষম্যের নাগপাশ ছিন্ন করে অস্তিত্বের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হও; না হলে কিন্তু বিলুপ্তির পথে ধাবিত হওয়া অবধারিত।

সুএঃ এইবেলা         

news

বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রি অটুট থাকুক শ্লোগানে সারাদেশে সচেতন নাগরিক কমিটির মানববন্ধন

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=601010487199686&id=100018722192712বাংলাদেশ ভারত মৈত্রি অটুট থাকুক শ্লোগানে বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটির ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিসহ সংগঠনের সদস্যরা। ৭১ মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সরকার এবং সেনাবাহিনীর আত্মত্যাগ এবং অবদানের কথা স্মরন করেন অংশ গ্রহনকারীরা। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক অটুট থাকার পক্ষে এবং সীমান্তে চীনা বাহিনীর হামলায় ২০ ভারতীয় সেনা হত্যার প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা। একযোগে এই মানববন্ধন পালিত হয় নেত্রকোনা, জয়পুরহাট, নোয়াখালী, যশোরসহ আরো অনেক জেলায়। মানববন্ধনে শত শত মানুষ স্বত:স্ফর্তভাবে অংশগ্রহন করে।

এদিকে শনিবার (২৭ জুন) দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সামনে বেলা ১১ টায় বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি দিনাজপুর জেলা শাখার আয়োজনে সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও কাহারোল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল মালেক সরকার-এর সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সৈকত পাল এর সঞ্চালনায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল, হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি সুনীল চক্রবর্তী, পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উত্তম রায়, বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি জেলা শাখার সদস্য সচিব রতন সিং, সদস্য আল-মামুন বিপ্লব, সাবেক রেজিস্ট্রার রনজিৎ সিংহ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা এক কাতারে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। মুক্তিযুদ্ধে এই দেশের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ ভারতেরও অনেক অবদান ছিল। মুক্তিযুদ্ধে আমরা ভারতের সরকার ও জনগণের কাছ থেকে যে সহযোগিতা পেয়েছি, তা কখনো ভোলা যাবে না। সেজন্য আমরা ভারতের সরকার ও জনগণের কাছে কৃতজ্ঞ। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বাংলাদেশের মানুষ কোনও দিন ভারতকে ভুলবে না। আমরা একসঙ্গে কাধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাবো।

সুএঃ এইবেলা

news

লিপস্টিক কিভাবে ক্ষতি করে জানলে চমকে উঠবেন !

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: লিপস্টিক নারীদের অতি প্রিয়। প্রায় সব নারীদের কাছে ৪-৫ রকমের লিপস্টিকের শেড থাকে। অফিস কিংবা কলেজ লিপস্টিকে রাঙেন ঠোঁট। আবার কেউ ঠোঁটে লিপস্টিক পড়া অবস্থাতেই শুয়ে পড়েন।

আপনি কি জানেন লিপস্টিক শরীরে কত রকম ক্ষতি করে?
লিপস্টিক তৈরির অন্যতম উপাদান সিসা। কিছুদিন আগে ম্যাগি ও বেশ কিছু খাবারের সীসা পাওয়া গিয়েছিল বলে দেশজুড়ে হইচই উঠেছিল। রাতারাতি নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছিল ম্যাগি। শুনতে অবাক লাগলেও লিপস্টিকের মধ্যে ম্যাগির থেকেও বেশি পরিমাণে সিসা থাকে। যা ঠোটে লাগলে ক্ষতি।

লিপস্টিক ঠোঁট জিভ দিয়ে চাটে তা পেটে চলে যায়। বলতে পারেন পেটে যায় সীসা, স্নায়ু ও হরমোন নিঃসরনে ক্ষতি করে। কালো করে দেয় ঠোঁট। শুষ্ক করে ঠোঁট। এছাড়াও অনেক ধরনের অ্যালার্জি সৃষ্টি করে লিপস্টিক। লিপস্টিক এমন ধরনের উপাদান দিয়ে তৈরি যার দ্বারা ক্যান্সার হবার সম্ভবনা বারে।

কি ধরনের লিপস্টিক এড়িয়ে চলা উচিত?
লিপস্টিক ক্ষতিকারক উপাদানে তৈরি, যেমন সীসা, ক্যাডমিয়াম, পারদ ও অ্যান্টিমনি। এছাড়াও লিপস্টিকে থাকে ফর্ম্যালডিহাইড, কার্সিনোজেন, মিনারেল অয়েল ও পেট্রোকেমিক্যালস্। এইসব উপাদান রোমকূপ বন্ধ করে দেয়। কার্সিনোজেনের মতো প্যারাবেন প্রিজ়ারভেটিভ হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলে শরীরে ক্ষতি করে।

তাহলে কি লিপস্টিক পারবেন না?
অবশ্যই পড়তে পারবেন। তবে লিপস্টিক কেনার আগে ভালো করে উপাদান তালিকা দেখে নেবেন। যেমন হার্বাল লিপস্টিক নিতে পারেন। ঠোঁটের যত্ন নিন। ঠোঁটে লালচে ভাব আনতে ঘি মাখুন।

news

ছিন্ন মস্তক কালী মা এর মহিমা!

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: মা চন্ডীর আরেক রূপ হল ছিন্ন মস্তক কালী। তান্ত্রিক সাধনায় এই দেবীর অসীম ক্ষমতার অধিকারী। ছিন্ন মস্তক হিন্দু ধর্মের মহা শক্তি নামে পরিচিত।

মাতৃ রূপী দেবীর মধ্যে ছিন্ন মস্তক কালী মায়ের রূপ ভঙ্কর। শাস্ত্র মতে, মৈথুনের সময় অসি দিয়ে নিজের মস্তক ছিন্ন করেন দেহ হইতে। এক হাতে নিজের মুণ্ড ধারণ করেন। অপর হস্তে অসি।কর্তন গলা থেকে তিনটি রুধির ধরা পড়ে। একটি নিজেই পান করে আর দুই ধারা সহ যোগী দু জন পান করে। এক দিকে হত্যাকারী অপর দিকে সৃষ্টিকারী। এই দেবী সবার পাপ নাশকতকারী অপর দিকে সৃষ্টিকারী।

এই দেবী সবার পূজনীয়। প্রতি অমাবস্যায় পূজিত ছিন্ন মস্তক কালী। পশু বলী দেওয়া হয়। শেষ রাতে পূজা হয়।

এক মনে মায়ের পূজা করলে সমস্ত বাঁধা অসুখ বিসুখ জ্বালা যন্ত্রনার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

news

‘ভারত যেমন বন্ধু হতে পারে, তেমনি শত্রুদের যোগ্য জবাবও দিতে পারে’: মোদি

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: যারা ভারতীয় ভূখন্ড লাদাখে নজর দিয়েছে, তাদের যোগ্য জবাব দেওয়া হয়েছে। ‘ভারত যেমন বন্ধু হতে পারে, তে

মনি শত্রুদের যোগ্য জবাবও দিতে পারে। ফের একবার মনে করিয়ে দিলেন ভারতের প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

রবিবার (২৮ জুন) মন কি বাত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

লাদাখে উত্তেজনা নিয়ে বিরোধীদের চাপ ত্রুমশই বাড়ছিল নরেন্দ্র মোদির উপর। দাবী ছিল, প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে বলতে হবে কি হয়েছে লাদাখে। রবিবার মাসিক মন কি বাত অনুষ্ঠানে সেই লাদাখ নিয়েই মুখ খুললেন মোদি। তিনি বলেন, ভারত বন্ধুত্বর পাশাপাশি চোখে চোখ রেখে জবাবও দিতে পারে। সীমান্তে যারা চোখ তুলে তাকিয়েছে, তারা যোগ্য জবাব পেয়েছে। প্রতিবেশীর আচরণও দেখেছি আমরা। সেই আচরণের উত্তরে প্রতিরোধ করেছি আমরা।

বিদেশি, বিশেষ করে চীনা পণ্য ব্যবহার বর্জন করে দেশীয় পণ্যকে গুরুত্ব দিতে ভারতবাসীকে আহ্বান করেন মোদি। তিনি বলেন, ‘দেশে তৈরি জিনিস কিনবে দেশবাসী, এমন বার্তাও পাচ্ছি। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হচ্ছে ভারত। দেশীয় জিনিস কিনলে দেশেরই সেবা করবেন আপনারা। এর ফলে আমাদের দেশ মজবুত হবে। আমরা যত শক্তিশালী হব, বিশ্বজুড়ে শান্তি আসবে।’

সুএঃ এইবেলা

ঈশাহারা নিউজ, https://web.facebook.com/profile.php?id=100019162776384, news, sun bd

রংপুরে মন্দির ভাঙার অভিযোগে চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

রংপুর প্রতিনিধি : মন্দির ভাঙার অভিযোগে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় এক ইউপি চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে আলমবিদিতর ইউনিয়নের বাড়াইপাড়া মন্দির ভাঙার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে গঙ্গাচড়া থানা হাজতে রয়েছেন।

থানা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ওই ইউনিয়নের দক্ষিণ বাড়াইপাড়া কালি মন্দিরের সংস্কার কাজ চলছিল। শনিবার বিকেলে আলমবিদিতর ইউপি চেয়ারম্যান আফতাবুজ্জামান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মন্দিরের সংস্কার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এতে মন্দির কমিটির লোকজন অসম্মতি জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে লাথি মেরে নির্মানাধীন কাজের অনেকাংশ ভেঙে ফেলেন। 

এ ঘটনায় মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক কনক রায় বাদী হয়ে গঙ্গাচড়া থানায় মামলা করেন। অভিযোগের সত্যতার প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে গঙ্গাচড়া পুলিশ।

এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সুশান্ত কুমার সরকার জানান, প্রকাশ্য দিবালোকে মন্দির ভাঙার মামলায় চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সুএঃ এইবেলা

news

পূবাইলে জমি দখলের উদ্দেশ্যে হিন্দু নেতার উপর বর্রবোচিত হামলা!

গাজীপুর প্রতিনিধি : পূবাইলে জমি দখলের উদ্দেশ্যে হিন্দু নেতার উপর  বর্রবোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে।

বর্বরোচিত হামলার শিকারৈ এই ব্যক্তির নাম শ্রী নীরেন্দ্র চন্দ্র মন্ডল। তিনি বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর জেলা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, পূবাইলের ডেমর পাড়া এলাকায় শ্রী নীরেন্দ্র চন্দ্র মন্ডলের জমি দখলের উদ্দেশ্যে তার উপর বর্বরোচিত হামলা হয়! হামলায় তার মাথা ফেটে যায় এবং হামলাকারীরা তাকে মৃত ভেবে সেখান থেকে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে অর্ধমৃত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে পূবাইল থানায় মামলা হয়েছে। 

news

আগৈলঝাড়ায় হিন্দুদের দানকৃত জায়গা জোরপূর্বক দখল; প্রতিবাদে মানববন্ধন

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: ভূমিদস্যু মোঃ মোবারক হাওলাদার ও তার পুত্র মোঃ মাহবুব হাওলাদার কর্তৃক হিন্দুদের দানকৃত জায়গা জোরপূর্বক দখল, হুমকি-ধামকি, মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার পূর্বক ও তাদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে স্থানীয় জনতা।

শনিবার (২৭ জুন) বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার আস্কর বাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, হিন্দুদের দানকৃত জায়গায় জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ করেছিল ভূমিদস্যু মোঃ মোবারক হাওলাদার, তার পুত্র মোঃ মাহবুব হাওলাদার ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। স্থানীয় হিন্দুরা এর প্রতিবাদ জানালে মোঃ মোবারক গং কর্তৃক তাদের উপর মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করেছে। তাদেরকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, দেশ ত্যাগের হুমকি সহ প্রতিনিয়ত তাদের উপর বিভিন্ন ধরনের অন্যায়, অত্যাচার ও নির্যাতন চালাচ্ছে। 

জনশ্রুতি আছে ১৯৭১ সালে এই মোঃ মাহবুব হাওলাদার রাজাকার আলবদর আলশামস বাহিনীতে যুক্ত ছিল।

ঈশাহারা নিউজ, https://web.facebook.com/profile.php?id=100019162776384, news, sun bd

সঙ্কটকেই পরিবর্তনের টার্নিং পয়েন্ট ভাবছেন মোদি

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক : করোনার হানা, পঙ্গপালের উপদ্রব, ভূমিকম্পের বিধ্বংসী আশঙ্কা, বন্যা-সাইক্লোন, অর্থনীতির বিপর্যয় এবং ঠিক এ সময়গুলোতে গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো লাদাখে চীনের উৎপাত। এত সঙ্কট নিয়ে ত্রাহি ত্রাহি দশা এখন ভারতের শাসকদের। কিন্তু এতসব সঙ্কটের মধ্যেও দিশেহারা হননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের (আইসিসি) ৯৫ তম বার্ষিক প্লেনারি সেশনে তিনি বলেন, করোনাভাইরাসজনিত সঙ্কটকেই আমাদের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে নিতে হবে।

আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের বিষয়ে জোর দিয়ে মোদি বলেন, ‘এই সঙ্কটের মুহূর্তকেই প্রতিটি ভারতবাসীকে সুযোগে পরিবর্তন করে ফেলতে হবে। তা করতে গেলে প্রয়োজন আত্মনির্ভরতার। গোটা বিশ্ব করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ভারতও করছে। করোনার পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিকূল অবস্থাও তৈরি হচ্ছে।’

পঙ্গপালের হামলার বিষয়ে মোদি বলেন, দেশের একাধিক জায়গায় পঙ্গপাল হানা দিচ্ছে, ভূমিকম্পের খবর আসছে, সাইক্লোন হয়েছে। করোনার সঙ্গেই এই চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘মনেই হার, মনেই জিত। আমাদের ইচ্ছেশক্তিই আমাদের ভবিষ্যত্ গড়ে দেবে। বিদেশের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্বদেশি পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, করোনাভাইরাসের এই সঙ্কটকেই দেশের ঘুরে দাঁড়ানোর টার্নিং পয়েন্ট করতে হবে। দেশ বর্তমানে শুধু কভিড ১৯ এর বিরুদ্ধেই লড়াই করছে না। আরও একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দেশ। এই সঙ্কটকে সুযোগে বদলাতে হবে দেশের প্রতিটি নাগরিককে।

ঈশাহারা নিউজ, https://web.facebook.com/profile.php?id=100019162776384, news, sun bd

ঘটনা অনুসন্ধানঃ আট বছরের পুরানো ছবি ভাইরাল করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর অপচেষ্টা !

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: দিল্লির জামিয়া নগর এলাকায় নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠার পরপরই পুলিশে অভিযোগ করা নৃশংসতার অনেকগুলি ফটো এবং ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে।

জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের সাথে এইভাবে আচরণ করা হয়েছিল বলে দাবি করে পুলিশ এক যুবকের উপর স্পষ্টতই একটি যুবকের উপর মুদ্রাঙ্কিত করার একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। ফেসবুক ব্যবহারকারী “ফ্রিদা নিকোলাস” ছবিটি পোস্ট করেছেন এবং লিখেছেন, “দিল্লি পুলিশ, কারণ এই ছাত্ররা কোনও মুসলিম অধ্যাপককে অপসারণের জন্য আন্দোলনকারী জাতীয়তাবাদী নয়। এরা জামিয়া শিক্ষার্থী।”

ইন্ডিয়া টুডে অ্যান্টি ফেক নিউজ ওয়ার রুম (এএফডাব্লুএ) আবিষ্কার করেছে যে ভাইরাল ছবিটি আট বছরের পুরনো এবং লখনউয়ের হযরতগঞ্জের। জামিয়ার প্রতিবাদের সাথে এর কোন যোগসূত্র নেই। এই গল্পটি ফাইল করা পর্যন্ত পোস্টটি ২৬০০ বারের বেশী শেয়ার হয়েছে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে।
 
চিত্রটির বিপরীতে অনুসন্ধান করে দেখতে পাওয়া যায় যে এটি ২০১২ সালের নির্ভয়া ধর্ষণের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সময় ভাইরাল হয়েছিল। 

নিবন্ধ অনুসারে, ২০১১ সালের মার্চ মাসে উত্তর প্রদেশ পুলিশ বিমানবন্দরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবকে গ্রেপ্তার করেছিল। সমাজবাদী পার্টির যুবক ও ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সমাবেশ ঘেরাওয়ে যাচ্ছিলেন। প্রতিবাদ চলাকালীন, লখনউয়ের ডিআইজি ডি কে ঠাকুর লোহিয়া বাহিনীর মাথা আনন্দ ভাদৌরিয়াকে মাটিতে ফেলে দেন এবং তাঁর মুখে জুতা নীচে পিষতে চেষ্টা করেছিলেন। লোহিয়া বাহিনী সমাজবাদী পার্টির যুব শাখা।

 

আমরা এই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত কিছু মিডিয়া রিপোর্ট পেয়েছি। ওয়ান ইন্ডিয়ার একটি হিন্দি নিবন্ধনও আমরা পেয়েছি সেখানে জানিয়েছে যে, ২০১২ সালে সমাজবাদী পার্টি ইউপিতে সরকার গঠন করার পরে, লখনউয়ের ডিআইজি ডি কে ঠাকুরকে মির্জাপুরে স্থানান্তর করা হয়েছিল। জম্মু ও কাশ্মীরে কেন্দ্র অনুচ্ছেদ- ৩০০ বাতিল করার পরে একই চিত্র এই বছরের গোড়ার দিকে উপত্যকায় পুলিশের নৃশংসতার পরেও ভাইরাল হয়েছিল। তখন (এএফডাব্লুএ ) দাবিটি সত্যতা যাচাই করেছিল।

সুতরাং, এটি স্পষ্ট যে ভাইরাল ছবিটি আট বছরের পুরনো এবং লখনউয়ের। নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে জামিয়া শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের সাথে এর কোনও যোগসূত্র নেই।

সুএঃ এইবেলা

ঈশাহারা নিউজ, https://web.facebook.com/profile.php?id=100019162776384, news, sun bd

বাংলাদেশের এই বাজেট সরকারের সাহসী ও সময়োচিত চিন্তার সোনালী ফসল: কাদের

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: এবারের বাজেট প্রস্তাব ভিন্ন বাস্তবতায়, ভিন্ন প্রেক্ষাপটে প্রণীত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের । তিনি বলেন, বাজেট করোনার বিদ্যমান সংকটকে সম্ভাবনায় রূপ দেওয়ার বাস্তবসম্মত দলিল।

জীবন-জীবিকার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে শেখ হাসিনা সরকারের সময়োচিত সাহসী চিন্তার ফসল।

শুক্রবার (১২ জুন) সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইনে দলের পক্ষ হয়ে বাজেট প্রতিক্রিয়ায় সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, করোনার কারণে কয়েক মাস ধরে বিপর্যয়ের পরও বাজেটের আকার কমেনি, বরং বেড়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা সংকটের মধ্যেও সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। মেগাপ্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের গতিশীলতা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।

এবারের বাজেট করোনার কবল থেকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের এক ভারসাম্যপূর্ণ বাজেট বলে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটি একটি জনবান্ধব ও জীবনঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা।

এডিবির আশঙ্কা, করোনা পরিস্থিতির কারণে ১৪ লাখ মানুষ কর্মসংস্থান হারাতে পারে। ফলে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাজেটে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

বাজেটে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হলেও স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে এ খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ, প্রণোদনা ও ক্ষতিপূরণ ইত্যাদির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।গত অর্থবছরের তুলনায় স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বেড়েছে ২৩ শতাংশ।

প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের চেয়ে ৫ গুণ বেশি এবং দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ।করোনা বাইরাস প্রতিরোধে ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে আনার পরিকল্পনাও বাজেট প্রস্তাবনায় রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ২ শতাংশ। অনেকে এটাকে উচ্চাভিলাসী মনে করতে পারেন।তবে আওয়ামী লীগের কাছে মানুষের প্রত্যাশা বেশি, এ প্রত্যাশা পূরণে যত ঝুঁকি নিতে হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা নেবেন। অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে আগের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায়র কাঙ্ক্ষিত ভীত রচনাই এবারের বাজেটের লক্ষ্য।

বিএনপির পক্ষে বাজেটের ব্যাপকতা ও সম্ভাবনা অনুধাবন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করে কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা গত ১১টি বাজেট ঘোষণার পর নানা ধরণের বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা মন্তব্য করেছেন।

বরাবারই বলেছেন, বাজেট বাস্তবায়ন হবে না। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে মাত্র ৫০ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছিল।আর এবার শুধু স্বাস্থ্য খাতেই ৪১ হাজার ২৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ৯৫ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীসহ বাজেট প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা মোকাবিলার পাশাপাশি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা, মানুষ যেন কষ্ট না পায়, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সব প্রতিকূলতাকে জয় করে বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে।

news

Army jawan killed in Pak shelling in J-K’s Rajouri, civilian injured

A soldier died and a civilian got injured in shelling carried out by Pakistan along the Line of Control (LoC) in Rajouri district of Jammu and Kashmir late Wednesday, officials said.

“A soldier lost his life in the line of duty late Wednesday night when Pakistani troops opened heavy fire in Tarkundi sector that runs along Rajouri and Poonch districts. India retaliated strongly to the unprovoked firing and shelling by the adversary,” defence officials said. The deceased was identified as Naik Gurcharan Singh, a resident of Batala in Gurdaspur district of Punjab. His body has been moved to Rajouri hospital for autopsy.

A civilian, named Nayamtullah (35), of Rajdhani village was also injured in Pak shelling last night. Chandan Kohli, Senior Superintendent of Police, Rajouri district said that the victim was hit by splinters of a mortar shell.

“He was immediately evacuated to a hospital and is out of danger,” said Kohli.

Besides this, a fresh encounter erupted between security forces and terrorists in the wee hours of Thursday in central Kashmir’s Budgam district. The police said two to three militants could be trapped in Pathanpora village of Budgam. The operation was launched at around 2 am on Thursday.

This is the fourth encounter in Kashmir since Sunday. As many as 14 militants have been killed in the previous three encounters that took place in South Kashmir’s Shopian district.

news

বহুল প্রতিক্ষিত রাম মন্দির নির্মাণ শুরু

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক:  ভারতের অযোধ্যায় বহুল প্রতিক্ষিত রাম মন্দির নির্মাণ শুরু হচ্ছে চলতি মাসেই। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেই ১০ জুন শুরু হয়েছে এই মন্দির নির্মাণের কাজ।

দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়েছে, মন্দির নির্মাণে নরেন্দ্র মোদি ঘোষিত ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথমে শিবের আরাধনা হবে। তারপর শুরু হবে মন্দির নির্মাণের কাজ।

১০ জুন সকাল ৮টা থেকে মহাদেব আরাধনা শুরু হয়েছে শশাঙ্ক শেখর মন্দিরে। টানা ২ ঘণ্টা আরাধনা চলবে। এরপর এদিনই মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করেন এলঅ্যান্ডটি সংস্থা।

সরকারের পক্ষ থেকে এপ্রিলেই রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘোষণা দেয়া হয়। কিন্তু লকডাউনের জেরে পুরো প্রক্রিয়ায় পেছাতে হয়। দিল্লি নির্বাচনের তিন দিন আগে লোকসভায় সেই ট্রাস্ট গঠনের কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সরকারপক্ষের এমপিরা সেদিন ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি তুলেছিলেন। গত ২৬ মে মন্দিরের নির্মাণস্থলে যান রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মোহন্ত নৃত্যগোপাল দাস। সেখানে পূজার পর রাম মন্দিরের কাজ শুরুর ঘোষণা দেন তিনি।

এতদিন অস্থায়ী একটি টিনের কাঠামোর উপরেই পুজো হতো রামলালার। গত মার্চ মাসে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রামলালার মূর্তি মানস ভবনে স্থানান্তরিত করেন।

ফাইবারের তৈরি এই নতুন অস্থায়ী এ মন্দিরের কাঠামো পুরোপুরি বুলেটপ্রুফ। লকডাউন শিথিল হতেই পুনরায় এই অস্থায়ী মন্দির খুলতে চলেছে বলে খবর। এখন থেকে সামাজিক দূরত্ব ও অন্যান্য বিধিনিষেধ মেনেই শুরু হবে রামলালার নিত্য পুজো।

রাম মন্দির নির্মাণের জন্য রাম লালার মূর্তি বিকল্প জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখানে খোলা থাকবে মন্দির। তার দর্শন এবং পুজো করতে পারবেন ভক্তরা। আট ঘণ্টা খোলা থাকবে মন্দির।

সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। মাত্র ৫ জন করে মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। মন্দিরটি হবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী। মোট ১২৫ ফুট উচ্চতার।

যদিও তা বাড়িয়ে ১৬০ ফুট করার প্রস্তাব এসেছে নানা জায়গা থেকে। মন্দিরের প্রথম তলা ১৮ ফুটের। সেখানে থাকবে রাম লালার মূর্তি। দ্বিতীয় তলা হবে ১৫ ফুট ৯ ইঞ্চি। এই দ্বিতীয় তল ‘রামের দরবার’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

ঈশাহারা নিউজ, https://web.facebook.com/profile.php?id=100019162776384, news, sun bd, Uncategorized

করোনা মোকাবেলা করতে সাংবাদিকদের ব্যাপক ভুমিকা – বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুজ্জামান

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রিয় শালিখা বাসি আপনারা জানেন দেশ এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে আছে। দেশের সর্বস্তরের মানুষ এক ভয়াবহ অদৃশ্য শক্তির সাথে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে চলেছে, করোনা নামক এক ভাইরাস যা সারা পৃথিবীতে বিচরণ করছে এবং জীবন ও জীবিকার জন্য এখন সবচেয়ে বড় হুমকি। আমি করোনা ভাইরাস সম্পর্কে কিছু বলতে চাইনা শুধু আপনাদের উদ্দেশ্যে একটি কথায় বলবো আপনারা নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন থাকুন সরকারি নির্দেশ মেনে চলুন নিজে সুস্থ থাকুন অপরকে সুস্থ রাখুন এবং সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহ পাকের উপর ভরসা রাখুন।

আজ আমি শালিখা থানা সাংবাদিক ভাইদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, বিশেষ করে আমার বন্ধু গ্রামের সংবাদ পত্রিকার মফস্বল নিউজ এডিটর, এই ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির মধ্যে তাদের দিনরাত্রি অক্লান্ত পরিশ্রম এবং এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে গিয়ে সঠিক সংবাদ সংগ্রহ এবং সর্বপরি জনগণের নিকট তুলে ধরা,করোনা বিষয়ক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে হাটবাজারে এবং দোকান গুলোতে জনসমাগম এড়াতে সাংবাদিক ভাইদের উপস্থিতি ছিলো সত্যিই নজিরবিহীন কখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবার কখনও সংবাদপত্রে আবার কখনও সরাসরি মানুষের মাঝে সচেতনতার লক্ষ্যে তাদের সচেতনতা মূলক বক্তব্য ব্যাপক সাড়া জাগানোর পাশাপাশি এই দুঃসময়ে আপনাদের কর্মকাণ্ড ছিলো সত্যি জনবান্ধব। এই কাজগুলো মোটেই সহজ নয় আপনাদের জীবনের জন্য যেমন হুমকি স্বরূপ তেমনি আপনাদের পরিবার সারাক্ষণ দুঃশ্চিন্তায় থাকতো কখনও কখনও আপনাদের এই কাজের জন্য ক্ষুধার্ত থাকতে হয়েছে সবচেয়ে কঠিন বিষয়টা আপনাদের এই ভাইরাসে আক্রান্তের ভীতি নিয়ে সারাক্ষণ মানুষের কথা চিন্তা করে দিনরাত কাজ করতে হয়েছে ব্যাপারটা মোটেও সহজ নয় এবং এখনও আপনাদের এই কাজ চলমান। সাংবাদিক বাহারুল ভাই,দীপক দাদা, স্বপন দাদা,তুহিন ইসলাম, শহিদুজ্জামান চাঁদ,মাসুম বিল্লাহ, নওয়াব আলী, মোঃ তারেক, শফিকুল ইসলাম শফিক ভাই, শামিম আহম্মেদ খান সাধারণ সম্পাদক মাগুরা জেলা সাংবাদিক, আবু বাসার আকন্দ ভাই, রব ভাই,সাংবাদিক বাহারুল ইসলাম(শিক্ষক) ও সাংবাদিক দেবব্র দেবু, নাজমুল হক, প্রেস শালিখা,,শালিখার সংবাদ,সাংবাদিক ফোরাম,শালিখা প্রেসক্লাব মাগুরা,এবং গবেষক শ্রদ্ধেয় শ্রী ইন্দ্রনীল মামা যিনি এই কাজে বুদ্ধি ও পরামর্শ যুগিয়েছেন।এই মহান কাজে সামনে থেকে নেতৃত্ব যুগিয়েছেন শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তানভীর রহমান, এসি ল্যান্ড মোঃ মনিরুজ্জামান মহোদয় এবং শালিখা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ তরিকুল ইসলাম মহোদয়কে আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং মহান আল্লাহর দরবারে আপনাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

ধন্যবাদন্তে শহীদুজ্জামান শহীদ (সাংগঠনিক সম্পাদক শালিখা থানা বিএনপি)৷

(প্রেসবিজ্ঞপ্তি)

news

Fact Check: Eight-year-old photo passed off as police atrocities on Jamia students

Esaharanews Desk :  Soon after protests against Citizenship Amendment Act turned violent in Delhi’s Jamia Nagar area on Sunday, many photos and videos of alleged police atrocities have been doing the rounds on social media.

A photo of a policeman apparently stamping on a youth is going viral on social media with the claim that this was how cops treated protesting students of Jamia Millia Islamia. Facebook user “Freeda Nicholas” posted the image and wrote, “Delhi Police, because these students are not nationalists agitating to remove a Muslim professor. These are Jamia students.”

India Today Anti Fake News War Room (AFWA) has found that the viral photo is eight years old and from Hazratganj in Lucknow. It has nothing to do with the Jamia protests.

Till the filing of this story, the post was shared more than 2,600 times. The archived version can be seen here.

We reverse-searched the image and found that it went viral during protests against the 2012 Nirbhaya rape incident as well. However, we could not find any credible media source to verify it.

As per the article, in March 2011, Uttar Pradesh police arrested former chief minister Akhilesh Yadav at the airport. Samajwadi Party youth and student wing workers were on their way to gherao the assembly to protest the arrest. During the protest, Lucknow DIG DK Thakur pushed Lohia Vahini head Anand Bhadauria to the ground and tried to crush his face under his shoes. Lohia Vahini is the youth wing of Samajwadi Party.

We found some media reports related to the incident.

We also found a Hindi article by OneIndia saying that after Samajwadi Party formed the government in UP in 2012, Lucknow DIG DK Thakur was transferred to Mirzapur.

The same picture went viral earlier this year as police atrocities in the Valley after the Centre scrapped Article 370 in Jammu and Kashmir. AFWA had then fact checked the claim.

Therefore, it is clear that the viral picture is eight years old and from Lucknow. It has nothing to do with protests by Jamia students against the Citizenship Amendment Act.

ঈশাহারা নিউজ, https://web.facebook.com/profile.php?id=100019162776384, news, sun bd, Uncategorized

ভারতের অযোধ্যায় বহুল প্রতিক্ষিত রাম মন্দির নির্মাণ শুরু

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক : ভারতের অযোধ্যায় বহুল প্রতিক্ষিত রাম মন্দির নির্মাণ শুরু হচ্ছে চলতি মাসেই। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেই ১০ জুন শুরু হয়েছে এই মন্দির নির্মাণের কাজ।

দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়েছে, মন্দির নির্মাণে নরেন্দ্র মোদি ঘোষিত ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথমে শিবের আরাধনা হবে। তারপর শুরু হবে মন্দির নির্মাণের কাজ।

১০ জুন সকাল ৮টা থেকে মহাদেব আরাধনা শুরু হয়েছে শশাঙ্ক শেখর মন্দিরে। টানা ২ ঘণ্টা আরাধনা চলবে। এরপর এদিনই মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করেন এলঅ্যান্ডটি সংস্থা।

সরকারের পক্ষ থেকে এপ্রিলেই রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘোষণা দেয়া হয়। কিন্তু লকডাউনের জেরে পুরো প্রক্রিয়ায় পেছাতে হয়। দিল্লি নির্বাচনের তিন দিন আগে লোকসভায় সেই ট্রাস্ট গঠনের কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সরকারপক্ষের এমপিরা সেদিন ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি তুলেছিলেন। গত ২৬ মে মন্দিরের নির্মাণস্থলে যান রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মোহন্ত নৃত্যগোপাল দাস। সেখানে পূজার পর রাম মন্দিরের কাজ শুরুর ঘোষণা দেন তিনি।

এতদিন অস্থায়ী একটি টিনের কাঠামোর উপরেই পুজো হতো রামলালার। গত মার্চ মাসে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রামলালার মূর্তি মানস ভবনে স্থানান্তরিত করেন।

ফাইবারের তৈরি এই নতুন অস্থায়ী এ মন্দিরের কাঠামো পুরোপুরি বুলেটপ্রুফ। লকডাউন শিথিল হতেই পুনরায় এই অস্থায়ী মন্দির খুলতে চলেছে বলে খবর। এখন থেকে সামাজিক দূরত্ব ও অন্যান্য বিধিনিষেধ মেনেই শুরু হবে রামলালার নিত্য পুজো।

রাম মন্দির নির্মাণের জন্য রাম লালার মূর্তি বিকল্প জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখানে খোলা থাকবে মন্দির। তার দর্শন এবং পুজো করতে পারবেন ভক্তরা। আট ঘণ্টা খোলা থাকবে মন্দির।

সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। মাত্র ৫ জন করে মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। মন্দিরটি হবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী। মোট ১২৫ ফুট উচ্চতার।

যদিও তা বাড়িয়ে ১৬০ ফুট করার প্রস্তাব এসেছে নানা জায়গা থেকে। মন্দিরের প্রথম তলা ১৮ ফুটের। সেখানে থাকবে রাম লালার মূর্তি। দ্বিতীয় তলা হবে ১৫ ফুট ৯ ইঞ্চি। এই দ্বিতীয় তল ‘রামের দরবার’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

সুএঃ এইবেলা

news

তলানিতে ইমরানের জনপ্রিয়তা, সরকারের দখল নিচ্ছে পাক সেনাবাহিনী!

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক:  ফের সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে পাকিস্তান! ইমরান খান এখনও প্রধানমন্ত্রীর পদে আছেন বটে, কলমে দেশ চালাচ্ছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। গত কয়েক মাসের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সিদ্ধান্ত এমনই ইঙ্গিত করছে।

ইমরান খানকে ক্ষমতায় রেখেই সরকারের উপরে ছড়ি ঘোরাচ্ছে পাকিস্তান সেনা। মূলত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণের ক্ষমতা নিজেদেরে হাতে তুলে নিয়েছে তারা। বর্তমানে অন্তত এক ডজন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভূমিকা পালন করছেন সেনাবাহিনীর কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা, বিদ্যুৎ নিয়ামক সংস্থা এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের হর্তাকর্তার ভূমিকায় এখন সেনাবাহিনীর মনোনীত অফিসাররা। এর মধ্যে চলতি করোনা মহামারী মোকাবিলায় মুখ্য ভূমিকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ নিচ্ছে। গত দু’মাসের মধ্যে অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সরকরি শীর্ষপদে সেনাবাহিনীর লোকজনকে বসিয়েছে ইমরান খান সরকার। পাকিস্তান পার্লামেন্টের ৪৬ শতাংশ আসন ইমরান খানের দল পিটিআই এর দখলে। ক্ষমতা ধরে রাখতে বেশ কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে জোট করতে বাধ্য হয়েছে তারা। এই পরিস্থিতিতে সরকারে টিকে থাকার জন্য ইমরান খানের পক্ষে সেনাবাহিনীর সহায়তা একান্ত প্রয়োজন। এর মধ্যে সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না ক্রিকেটের মাঠ থেকে রাজনীতির ময়দানে পা দেওয়া ইমরানের জন্য। 

এদিকে অর্থনৈতিক শ্লথতা এবং জিনিসপত্রের আকাশ ছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধির জেরে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ ক্ষুদ্ধ। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ। আর সব কিছু মিলিয়ে সাধারণ মানুষকে ‘নতুন পাকিস্তান’ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়ে পাকিস্তানের মসনদ দখল করা ইমরানের জনপ্রিয়তা পড়ন্ত। নিম্নমুখী তার প্রভাব। এই পরিস্থিতিতে ফের সক্রিয়তা বেড়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর। একের পর এক অফিসারকে সরকারি উচ্চ পদে বসিয়ে অসামরিক এই সরকারের উপরে নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করছে তারা।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনার গ্রাস থেকে মুক্ত নয় পাকিস্তান। সেদেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে সহায়তা করছে সেনাবাহিনী। এখানেই সীমাবদ্ধ নেই সেনার ভূমিকা। করোনা নিয়ে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত সাংবাদিক বৈঠকে দেখা গিয়েছে উর্দিধারী পাক সেনাকর্তাদের। এর মধ্যে চলতি সরকারের উপরে সেনাবাহিনীর প্রভাব বিস্তারের লক্ষণ দেখতে পারছেন বিশেষজ্ঞরা।

পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা প্রশ্নাতীত। দেশের সাত দশকের ইতিহাসের একটা দীর্ঘ সময় সেনা শাসনে থেকে পাকিস্তান। ফের সরকারি নীতিনির্ধারণে সেনাবাহিনীর এই ধরনের সক্রিয়তায় চর্চা শুরু হয়েছে পাক রাজনীতির অন্দরে।

news

সঙ্কটকেই পরিবর্তনের টার্নিং পয়েন্ট ভাবছেন মোদি

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: করোনার হানা, পঙ্গপালের উপদ্রব, ভূমিকম্পের বিধ্বংসী আশঙ্কা, বন্যা-সাইক্লোন, অর্থনীতির বিপর্যয় এবং ঠিক এ সময়গুলোতে গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো লাদাখে চীনের উৎপাত। এত সঙ্কট নিয়ে ত্রাহি ত্রাহি দশা এখন ভারতের শাসকদের। কিন্তু এতসব সঙ্কটের মধ্যেও দিশেহারা হননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের (আইসিসি) ৯৫ তম বার্ষিক প্লেনারি সেশনে তিনি বলেন, করোনাভাইরাসজনিত সঙ্কটকেই আমাদের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে নিতে হবে।

আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের বিষয়ে জোর দিয়ে মোদি বলেন, ‘এই সঙ্কটের মুহূর্তকেই প্রতিটি ভারতবাসীকে সুযোগে পরিবর্তন করে ফেলতে হবে। তা করতে গেলে প্রয়োজন আত্মনির্ভরতার। গোটা বিশ্ব করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ভারতও করছে। করোনার পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিকূল অবস্থাও তৈরি হচ্ছে।’

পঙ্গপালের হামলার বিষয়ে মোদি বলেন, দেশের একাধিক জায়গায় পঙ্গপাল হানা দিচ্ছে, ভূমিকম্পের খবর আসছে, সাইক্লোন হয়েছে। করোনার সঙ্গেই এই চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘মনেই হার, মনেই জিত। আমাদের ইচ্ছেশক্তিই আমাদের ভবিষ্যত্ গড়ে দেবে। বিদেশের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্বদেশি পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, করোনাভাইরাসের এই সঙ্কটকেই দেশের ঘুরে দাঁড়ানোর টার্নিং পয়েন্ট করতে হবে। দেশ বর্তমানে শুধু কভিড ১৯ এর বিরুদ্ধেই লড়াই করছে না। আরও একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দেশ। এই সঙ্কটকে সুযোগে বদলাতে হবে দেশের প্রতিটি নাগরিককে।

news

Bold decisions, investments needed for India to be self-reliant: Modi

Esaharanews Desk : Reinforcing his pitch to create an Atmanirbhar Bharat (self-reliant India), Prime Minister Narendra Modi on Thursday (June 11) said the adversity of COVID-19 should be used as a turning point to help “people, planet and profit” co-exist and grow together.

The prime minister was addressing the 95th Annual Day of Indian Chamber of Commerce.

He urged industrialists to prepare a globally competitive domestic supply chain, stressing that now is the time to take “Indian economy out of ‘command and control’ and take it towards ‘plug and play’.”

He also said bold decisions and investments have to be taken if India has to compete in the global market.

“This isn’t the time for a conservative approach. It’s time for bold decisions and bold investments. It’s time to prepare a globally competitive domestic supply chain,” he said.

Addressing the industry leaders in West Bengal, Modi said even Swami Vivekanand had spoken about creating a market for Indian products.

“Decades ago Swami Vivekananda wrote, ‘The simplest method to be worked upon at present is to induce Indians to use their own produce and get markets for Indian artware in other countries’. This path shown by Swami Vivekananda is inspiration for India in post-COVID world,” he said.

“We have to revive the historical excellence of Bengal in manufacturing sector. We’ve always heard, ‘What Bengal thinks today, India thinks tomorrow.’ We have to take inspiration from this and move forward together,” he added.

Copy : eibela

 

news

সিলেটে ৩০ কোটি টাকার দেবোত্তর সম্পত্তি দখল!

সিলেট প্রতিনিধি :  সিলেট নগরীতে ৩০ কোটি টাকার দেবোত্তর সম্পত্তি দখল করে বাসা নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করলেও দখলকারীরা প্রভাবশালী থাকায় মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেননা কেউই। 

ঘটনাটি ঘটেছে নগরীর যতরপুর এলাকায়। দেবোত্তর সম্পত্তি দখল করে বাসা নির্মান করছেন জতরপুরের আলহাজ্ব আবদুল মুকিত চৌধুরীর ছেলে আজহারুল কবির চৌধুরী সাজু।

এ ব্যাপারে ২৯ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে সিলেট কোতোয়ালি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করে মন্দির কমিটি। পরবর্তীতে সেই আবেদন তদন্তের জন্য সোবহানীঘাট ফাড়ির ইনচার্জ বরাবর পাঠানো হয়েছে।

মন্দির কমিটির সাথে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৫৬ সালের রেকর্ডমূলে (পাকিস্তান আমলে) নগরীর যতরপুর এলাকায় ১৭৮২ নং খতিয়ানে শ্রী শ্রী বিশ্বেশ্বর জিউর দেবতার নামে ২.৯৪ শতক জায়গা রেকর্ড হয়। রেকর্ডকৃত সম্পত্তির ১৩ টি খতিয়ানে মন্দিরের নামে ২.৯৪ শতক জায়গা রয়েছে। প্রতি শতক অনুযায়ী যার বর্তমান জায়গার মূল্য ৩০ কোটি টাকা।
অভিযোগে উল্লেখ করা করা হয় যতরপুরের শ্রী শ্রী বিশ্বেশ্বর জিউর আখড়ার ১১১৬১ নং দাগের এই ভুমিতে বর্তমানে অভিযুক্ত আজহারুল কবির চৌধুরীর আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নির্মান কাজ অব্যাহত রেখেছেন।

আখড়ার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনোজ কপালী মিন্টু জানান, ২০১৭ সালে অর্পিত সম্পত্তি অবমুক্তির নিমিত্তে ট্রাইবুনালে ৩৩৮/২০১২ মামলা দায়ের করে দেবতার পক্ষে মামলার রায় প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত রায় ডিক্রীর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক আপিল (অর্পিত) জেলা জজ ট্রাইবুনালে দায়ের করেন, যার মামলা নং ২২৪/২০১৭। মামলায় উভয় পক্ষের শুনানী শেষে ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর পুর্নবার রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দেবতার পক্ষে রায় প্রদান করা হয় এবং পরবর্তীতে ৭ দিন পর ২৩ নভেম্বর উল্লেখিত সম্পত্তি মন্দিরের পক্ষে ডিক্রী প্রদান করা হয়। ডিক্রিতে উক্ত সম্পত্তি অবমুক্ত করে ৩০ দিনের ভিতরে মন্দির পক্ষে কমিটির কাছে হস্তান্তর করতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ প্রদান করা হয়।

এদিকে আজহারুল কবির চৌধুরী জেলা জজে ডিক্রির ২৬ দিন পর পেশিশক্তির বলে ওই দেবোত্তর সম্পত্তি সিলেট সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ভুল বুঝিয়ে রাষ্ট্রীয় দেবোত্তর সম্পত্তির তালিকার ২৭ নং ক্রমিকে ওই সম্পত্তি তালিকা ভুক্ত থাকা অবস্থায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একটি জাল দলিল সৃষ্টি করে নেন, যার দলিল নং ১০৭৬৩/২০১৭, তারিখ ১২/১২/২০১৭ যার বিএসডিপি ১২৯৯৬, বিএস দাগ ৩৪৭১৯ এস এ ১১১৬১। তিনি কৌশল হিসেবে ছলচাতুরীর মাধ্যমে সিলেট সদর ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড বরবরে নিজ নামে নামজারি আবেদন করে। যাচাই বাছাই শেষে তৎকালীন তহসিলদার সঞ্জয় কান্তি দেব ভুমি কর্মকর্তা বরাবর। 
উল্লেখিত সম্পত্তি সরকারের দেবোত্তর সম্পত্তির তালিকায় ২৭ নং ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত উল্লেখ করে এই সম্পত্তি ব্যক্তি নামে নামজারির সুযোগ নেই বলে ভুমি কর্মকর্তাকে দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন। সময়টি ২০১৮ সালের।
পরবর্তীতে পুনরায় ওই সদর ভূমি অফিসে নামজারি মোকদ্দমা নং ৩.৩৮৬ (আই এক্স -আই)২০১৯ -২০২০ মোকদ্দমায় দেবোতার পক্ষে ডিক্রীরকৃত সম্পত্তি সহকারী তহসিলদার অর্জুন রায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দেবোত্তর তালিকা এবং মন্দিরের পক্ষে আদালতের রায় গোপন করে নামজারি করার নিমিত্তে একটি প্রতিবেদন প্রদান করেন। প্রতিবেদনের পর পরই ভূমি কর্মকর্তা আজহারুল আজহারুল কবির চৌধুরী বরাবর নামজারি সম্পন্ন করেন। যার খতিয়ান নং ১৭৯৯৬।

বিষয়টি জানতে পেরে মন্দির কমিটির সম্পাদক ও আইনজীবী ওই নামজারি বাতিলের জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবরে চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি একটি আবেদন দাখিল করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে যাচাই বাছাই শেষে উক্ত নামজারি বাতিল করেন একই সাথে সহকারি তহসিলদার অর্জুন রায়কে শো’কজ করা হয়। তবুও থেমে থাকেননি আজহারুল কবির।

এমতাবস্থায় ২৯ এপ্রিল ২০২০ তারিখে কোতোয়ালি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করে মন্দির কমিটি। পরবর্তীতে সেই আবেদন তদন্তের জন্য সোবহানীঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ বরাবরে জানানো হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সোবহানীঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই বিমল জানান, মন্দির কমিটির লিখিত অভিযোগ আমার হস্তগত হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে যথাসময়ে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

মন্দিরের জায়গায় বাসা নির্মান এবং দখল প্রসঙ্গে অভিযুক্ত আজহারুল কবির চৌধুরী বলেন, ‘মন্দির কমিটির অভিযোগ ঠিক নয় এবং আমি ক্রয়সুত্রে এই জায়গার মালিক। মহল্লার একটি ঘৃণিত চক্র বারবার সংখ্যালঘু ইস্যু তোলে আমাকে ঘায়েল করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।’

সুএঃ এইবেলা

ঈশাহারা নিউজ, https://web.facebook.com/profile.php?id=100019162776384, news, sun bd, Uncategorized

খুলনায় মুক্তিযোদ্ধা দুলাল কৃষ্ণ বিশ্বাসের বসতবাড়িতে ভাংচূর ও হামলা !

খুলনা প্রতিনিধি : খুলনার দাকোপ উপজেলা চেয়ারম্যান মুনছুর আলী খানের নির্দেশে বুধবার (১০ জুন) দুপুরে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা দুলাল কৃষ্ণ বিশ্বাসের বসতবাড়িতে ভাংচূর ও হামলা করে একদল সন্ত্রাসী!

তখন বাড়ি দখল ও ভাংচূরে বাঁধা দিলে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী মীনা রানী বিশ্বাসকে হামলাকারীরা ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। 
উল্লেখ্য, দুলাল কৃষ্ণ বিশ্বাস ও মীনা রানী বিশ্বাসের ছেলে পল্লব বিশ্বাস দাকোপ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক! পল্লব বিশ্বাস চার দলীয় ঐক্যজোট সরকারের সময় খুলনা আওয়ামীলীগ অফিস চত্ত্বরে বোমা হামলায় আহত হন।

বি.দ্রঃ বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা, ছেলে আওয়ামীলীগ দল করে বিরোধী দলের সন্ত্রাসীদের কালো থাবার শিকার। স্বাধীনতার স্বপক্ষের ও মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনকারী ও নেতৃত্বদানকারী অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী আওয়ামীলীগ সরকার যখন ক্ষমতায়, সেসময় যদি জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা সন্ত্রাসী কর্তৃক আক্রমণিত হয় এবং তাদের বাড়িঘর বেদখল হয়ে যায় এর থেকে লজ্জাজনক বিষয় আর কি হতে পারে?

news

শার্শায় করোনা উপসর্গে এক ব্যক্তির মৃত্যু

দীনবন্ধু মজুমদার :: যশোর জেলার শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়নের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামে করোনা উপসর্গ নিয়ে ইয়াকুব আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

2

গত মধ্য রাত ১২.২০ মিনিটে তিনি নিজ গ্রামের বাড়িতেই মারা যান তিনি। ইয়াকুব আলী কয়েকদিন আগে হৃদরোগের চিকিৎসা নিতে ঢাকায় যান। সেখানে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেষে করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। বিষয়টি পরিবারের কাউকে না জানিয়েই গতকাল (১০ জুন) তিনি ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরে আসেন এবং রাতেই তিনি নিজ বাড়িতে মারা যান। শার্শা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইউসুফ আলী মোবাইলে ইয়াকুব আলীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

news

শার্শা গোগা সীমান্ত থেকে ২০কেজি রুপা উদ্ধার

দীনবন্ধু মজুমদার :: যশোরের শার্শা গোগা সীমান্ত থেকে ২০কেজি ভারতীয় রুপা পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বিজিবি।

বৃহস্পতিবার (১১জুন) সকাল ১০টার সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় গোগা বলফিল্ড মাঠ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় কোন পাচারকারীকে আটক করতে পারিনি।

 

1

২১ বিজিবি গোগা ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোফাজ্জল হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, পাচারকারীরা ভারত থেকে বিপুল পরিমান রুপা এনে গোগা বলফিল্ড মাঠে অবস্থান করছে।এমন সংবাদে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে ২০ কেজি রুপা উদ্ধার করা হয়। বিজিবির অভিযান টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।উদ্ধারকৃত রুপা শার্শা থানায় জমা দেওয়া হয়েছে ।

news

ভারতে চীনা মোবাইল ও অ্যাপ বয়কটের হিড়িক !

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক:  https://youtu.be/dfws1mZ56CY

আন্দোলনের ডাকটা প্রথম দিয়েছিলেন সোনাম ওয়াংচুক। তিনি লাদাখের সেই বিখ্যাত প্রকৌশলী ও শিক্ষা সংস্কারক, যাকে নিয়ে তৈরি হয়েছিল বলিউডের বিখ্যাত ‘থ্রি ইডিয়টস’ ছবিতে আমির খানের রাঞ্চো চরিত্র। ইউনেসকো থেকে ম্যাগসাইসাই, দেশ-বিদেশের কত যে প্রতিষ্ঠান তাকে পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই।

https://www.facebook.com/1804344383203370/posts/2318339035137233/

চার-পাঁচদিন আগে লাদাখে বসেই একটি ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করেন এই ‘লিভিং লিজেন্ড’। জানান, তিনি নিজের বহুদিনের সঙ্গী চীনা মোবাইল ফোনটি ত্যাগ করছেন। শুধু তাই নয়, এক বছরের মধ্যে ‘মেইড ইন চায়না’ সব জিনিসপত্রই তিনি বর্জন করবেন। প্রত্যেক ভারতীয়কেই একই কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি। লাদাখের নানা জায়গায় সীমান্ত বা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে চীনা সেনাবাহিনীর আগ্রাসনের জবাব ভারতের সেনারা যখন ‘বুলেট’ দিয়ে দেবেন, তখন সাধারণ নাগরিকদের উচিত ‘ওয়ালেট’ দিয়ে চীনকে জবাব দেওয়া–এ মন্তব্যও করেন তিনি। অর্থাৎ চীনা পণ্য বয়কট করলেই কেবল তারা সমুচিত বার্তা পাবে–সোজাসুজি সেটাই বলেছিলেন সোনাম ওয়াংচুক।

সোনামের সেই ডাক যেন ভারতে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। শুধু ইউটিউবেই গত কয়েকদিনে ওয়াংচুকের বার্তা দেখেছেন সাড়ে তিন মিলিয়ন মানুষ, তাছাড়া টুইটার বা ইনস্টাগ্রামের মতো অন্য প্ল্যাটফর্ম তো আছেই। শাওমি, অপ্পো, ভিভো-র মতো অজস্র চীনা কোম্পানির মোবাইল ফোন ভারতে অসম্ভব জনপ্রিয়। কিন্তু রাতারাতি সেইসব ফোন বর্জনের অঙ্গীকার করতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ থেকে সেলিব্রেটিদের অনেকেই।

শুধু মোবাইল ফোনই নয়–চীনের সঙ্গে সামান্যতম সম্পর্ক আছে, এমনসব অ্যাপ বয়কট করার ডাকও ভারতে তুমুল সাড়া ফেলতে শুরু করেছে। বাদ যায়নি টিকটকের মতো ভীষণ জনপ্রিয় অ্যাপও। গোটা ভারতে বারো কোটিরও বেশি মানুষ এই চটজলদি ভিডিও টুলটি ব্যবহার করে থাকেন। অনেকেই এখন টিকটক আনইনস্টল করতে শুরু করেছেন। এই তালিকায় আছেন মডেল ও তারকা মিলিন্দ সোমানের মতো ব্যক্তিত্বও।

আরও চমকপ্রদ হলো ‘রিমুভ চায়না অ্যাপস’ নামে একটি নতুন অ্যাপের কাহিনি। জয়পুরের স্টার্ট-আপ কোম্পানি ‘ওয়ানটাচঅ্যাপল্যাবস’ গত ১৭ মে এই অ্যাপটি লঞ্চ করে। এর কাজ হলো আপনার ফোন থেকে চীনা অ্যাপগুলো শনাক্ত করে সেগুলো সরাতে সাহায্য করা। মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রায় বারো লাখ মানুষ এই অ্যাপটি ডাউনলোড করেছেন, এবং গুগল প্লে স্টোরে বিনা পয়সায় যেসব অ্যাপ পাওয়া যায় এই মুহূর্তে তার শীর্ষে আছে এই ভুঁইফোঁড় ভারতীয় অ্যাপটি।

চীনা মোবাইল আর চীনা অ্যাপ বর্জনের ডাক ভারতে কী মারাত্মক সাড়া ফেলেছে তা সহজেই অনুমেয়। উল্লেখ্য, চীনের বেশ কয়েকটি অ্যাপ ভারতে তুমুল জনপ্রিয়। এর মধ্যে টিকটক ছাড়াও রয়েছে হেলো, শেয়ারইট, পাবজি, ইউসিব্রাউজারের মতো অসংখ্য অ্যাপ। কিন্তু এই প্রিয় ‘বন্ধু’দের সঙ্গে রাতারাতি সম্পর্কচ্ছেদ করতে লাখ লাখ ভারতীয় এখন বিন্দুমাত্রও ভাবছেন না।

এছাড়া যেসব ভারতীয় সংস্থায় বিপুল পরিমাণ চীনা বিনিয়োগ আছে, সেগুলোও রোষের মুখে পড়েছে। অনলাইনে গ্রোসারি কেনাকাটার সাইট বিগবাস্কেট, ট্র্যাভেল সাইট মেকমাইট্রিপের মতো সংস্থা যেমন এই তালিকায় আছে–তেমনি আছে ভারতে ডিজিটাল পেমেন্টের জায়ান্ট পেটিএমও। এসব সংস্থা গত কয়েক বছরে ভারতীয়দের ডিজিটাল জীবনকে অনেক সহজ করে তুলেছিল সন্দেহ নেই, কিন্তু এখন তার বদলে খোঁজা হচ্ছে “শতকরা একশ’ ভাগ দেশি” বিকল্প!

ভারতে চীনা পণ্য বর্জনের ডাক অবশ্য নতুন নয়–প্রতিবারই দিওয়ালির আগে নতুন করে এই ডাক ওঠে, আরএসএসের মতো অনেক গোষ্ঠীর তাতে সমর্থনও থাকে। কিন্তু দিওয়ালির কেনাকাটা মিটে গেলে সেই ডাক আবার থিতিয়েও যায়। অর্থনীতিবিদ সৈকত সেনগুপ্ত মনে করেন, ‘লাদাখ বা সিকিম সীমান্তে যদি চীন-ভারত সংঘাত খারাপ মোড় নেয়, তাহলে কিন্তু এবারের চীন বয়কট আন্দোলন দীর্ঘস্থায়ী হবে ধরেই নেওয়া যায়। কোভিড-১৯ সংকটের জন্য এদেশে বহু মানুষই চীনের ওপর বেজায় খাপ্পা হয়ে আছেন, সামরিক সংঘাত সেটাকে আরও জটিল করে তুলবে। দেশের সাধারণ মানুষ তার নিজের মতো করে এর বদলা নিতে চাইবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।’

চীনা মোবাইল বা পণ্য বয়কটের ডাক দিয়ে চীনের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে কি না, এই প্রশ্নও কিন্তু উঠেছে। গত রবিবার দ্বিতীয় একটি ভিডিও প্রকাশ করে লাদাখ থেকে সে প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সোনাম ওয়াংচুক। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘চীনের নাগরিকদের সঙ্গে আমাদের কোনও শত্রুতা নেই। আমাদের প্রতিবাদ শুধু চীন সরকারের আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে–যেখানে তারা লাখ লাখ শ্রমিককে নিজের দেশে ক্রীতদাসের মতো খাটাচ্ছে, মন্দির-মঠ ধ্বংস করে ফেলছে, তিব্বতের বৌদ্ধ বা উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্মম অত্যাচার চালাচ্ছে!’

চীনের ‘ডেট ট্র্যাপ’ বা ঋণের নাগপাশে জড়িয়ে শ্রীলঙ্কার মতো দেশ কীভাবে হাম্বানটোটা বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সোনাম ওয়াংচুক। সেই সঙ্গেই পূর্বাভাস করেছেন, ‘পাকিস্তান যেভাবে চীনের ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছে তাতে তারা একদিন চীনের ক্রীতদাসে পরিণত হবে!’

news

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচিত হতে চলেছে ভারত

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য পদে ফের নির্বাচিত হতে চলেছে ভারত। এমনটাই মনে করছেন কূটনীতিক ও বিশেষজ্ঞরা। পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ ছাড়াও বাকি দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশকে রোটেশনের ভিত্তিতে ভোটভুটির মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয় নিরাপত্তা পরিষদে।

রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি অস্থায়ী আসনের নির্বাচন ১৭ জুন। এশিয়া প্যাসিফিক ব্লক থেকে একা ভারতই প্রতিনিধিত্ব করছে, ফলে অষ্টম বারের জন্য জয়লাভ কার্যত নিশ্চিত। এজন্য ভারতের হয়ে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। এবারে নির্বাচিত হলে ভারতের মেয়াদ শুরু হবে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে।

কোভিড কী ভাবে অর্থনীতি এবং ভূকৌশলগত ক্ষেত্রে আঘাত হেনেছে সেই প্রসঙ্গ তুলে বিদেশমন্ত্রী শুক্রবার স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  তাঁর পাঁচটি ‘স’ নীতি রাষ্ট্রসংঘে কার্যকর করার লক্ষ্যে এগোচ্ছেন। এগুলো হল, সম্মান (রেসপেক্ট), সংবাদ (ডায়ালগ), সহযোগ (কোঅপারেশন), শান্তি (পিস) ও সমৃদ্ধি (প্রস্পারিটি)। “বিশ্বের সব জাতি ও দেশের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে শান্তি কার্যকর করার জন্য সবার সঙ্গে সহযোগিতা করে সব জাতি গোষ্ঠীকে সম্মান করে সবার সঙ্গে আলোচনা (সংবাদ) করেই ভারত রাষ্ট্রসংঘকে কাজ করতে বলবে। এটাই ভারতের উদ্দেশ্য। এজন্য সবার আগে ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদ, মাদক সন্ত্রাসকে নিশ্চিহ্ন করতে হবে পৃথিবীর বুক থেকে।” 

বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা বাড়িয়ে রাষ্ট্রসংঘের আমূল সংস্কারের লক্ষ্যে ভারত প্রচার চালিয়ে যাবে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিতে সুষম প্রতিনিধিত্ব নেই। সংস্কারেরও প্রয়োজন। আর সে কারণেই তারা আশানুরূপ ফল দিতে পারছে না।

news

আন্তর্জাতিক চাপ; অবশেষে করোনা ভাইরাস নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ চীনের !

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক:আমেরিকার সাথে চীনের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে ঠেকেছে, শুধু আমেরিকা না, সব দেশ চীনের বিরুদ্ধে, কারণ তারা জানিয়েছে, চীনের জন্যই এখন সারা বিশ্বের এই পরিস্থিতি। এবার এই ঠেলা সামলাতে না পেরেই চীনের তরফ থেকে শ্বেত পত্র প্রকাশ করা হল, আর সেখানেই উল্লেখ করা হলো কবে কীভাবে করোনা ছড়িয়েছে প্রথম। তারা জানিয়েছে ডিসেম্বরের শেষের দিকে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস, যা জানুয়ারীতে মহামারীর আকার নিয়েছে।

সেই যে পত্র প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ২০১৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকেই চীনের উহানে ছড়িয়ে পরে এই ভাইরাস, কিন্তু সেটাকে সবাই নিউমোনিয়া হিসেবেই বিবেচনা করে, তার ফলেই আরও এই ভাইরাসের শক্তি বেড়ে যায়। কিন্তু তখন বিজ্ঞানীদের সন্দেহ হয় যে, এই নিউমোনিয়া কোনোভাবেই এভাবে ছড়ায় না, তাহলে কি এটা অন্য কোনো  রোগ। আর তার পরেই এর জন্য নেওয়া হয় প্রস্তুতি। দিন যায় আর এই ভাইরাসের সংক্রমণ আরো বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯ শে জানুয়ারী থেকে সংক্রমণ দ্রুত হারে ছড়ায়।

পরে খোজ নিয়ে জানা যায়, এই ভাইরাস স্থানীয় মার্কেট থেকে ছড়িয়েছিলো। এটা তেমনভাবে বলা যায় না, অনেকে হয়ত ভাবছে বাদুর, সামুদ্রিক প্রাণীদের থেকে ছড়াচ্ছে, কিন্তু এটার কোনো সঠিক প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু এই ভাইরাসের ফলে এখন সারা বিশ্বের নাজেহাল দশা। সবাই মনে করছে উহানের সামুদ্রিক পণ্যের বাজার থেকেই এই রোগ ছড়িয়েছে, সাথে আবার অনেকে মনে করছে, এই রোগ নাকি ইউহানের ল্যাব থেকেও ছড়াতে পারে। এটা নাকি জৈব মারণাস্ত্র, এই নিয়ে অনেক প্রশ্নের মুখে পরতে হয়েছে চীন সরকারকে, কিন্তু সেটা নিয়ে মুখ খোলে নি বেজিং সরকার।

ঈশাহারা নিউজ, https://web.facebook.com/profile.php?id=100019162776384, news, sun bd, Uncategorized

নাভারন রেলওয়ের জমি থেকে গাছ কর্তন : ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিয়েও রেহায় পায়নি স্থানীয়রা

স্টাফ রিপোর্টার : শার্শার নাভারনের রেলওয়ের জমি থেকে ঝড়ে পড়া গাছ কর্তন করেও রেহায় পায়নি স্থানীয়রা।

পুলিশের ভয় দেখিয়ে দূর্বত্বরা ৫০ হাজার টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠছে । একই সাথে ঐ দুর্বত্বরা ২টি রেইনট্রি ও দুটি মেহগনি গাছ বিক্রি করছে ।

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া আম্পান ঝড়ে শার্শার নাভারনের রেল বস্তি এলাকার রেলওয়ের জমির ৩টি গাছ ভেঙ্গে যায় এবং ১টি গাছ বিদ্ধস্ত হয়। গাছ গুলি স্থানীয় বসবাসকারী মমিন ড্রাইভার, পপিলা বেগম ও আন্না কবিরাজ গাছ কেটে জড়ো করে রাখে।

গত ৩জুন স্থানীয় সংঘবদ্ধ দূর্বত্বরা জোট বেঁধে গাছ কাটার অভিযাগে মমিন ড্রাইভার, পপিলা বগম ও আন্না কবিরাজকে মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকার চাঁদা দাবি করে এসময় দু’জন সাদা পোশাকধারী পুলিশ ডেকে আনে।

আন্না কবিরাজ মোবাইল ফোনে জানান, স্থানীয় সালাম, বাসার গংরা আমাকে বলে আপনার বাড়ির সামনের গাছটির ডালপালা ভেঙ্গে গেছে কেটে নেন। তার কথা মত গাছটি কাটার পরপরই স্থানীয় আজিজুল, আবুল হোসেন ও মিঠুসহ তার দলবল নিয়ে হাজির হয় বাসার গংরা এবং ১ লক্ষ টাকার চাঁদা দাবি করে। একই সাথে মামলার ভয় দেখায় । কোন উপায়ন্তর না পেয়ে মান সম্মানের ভয়ে পরবর্তীতে আমরা চার জন মিলে ২৪ হাজার টাকা দিয়ে রেহাই পায়। টাকা গুলি মমিন ড্রাইভারের মাধ্যমে তাদেরকে দেয়া হয়। এরপর দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের মিঠু ও উত্তর বুরুজবাগান গ্রামের আজিজুল দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের পলাশ ও ঠান্ডুর ভ্যান যোগে গাছ গুলি সরিয়ে ফেলে।

এ ব্যাপারে ভ্যান চালক পলাশের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের মিঠু ও উত্তর বুরুজবাগান গ্রামের আজিজুলের কথা মত গাছগুলি সাতক্ষিরা মোড়ের লিউ-এর কাঠ গোলায় নিয়ে যায় । সেখানে তারা বিক্রি করে। তবে আমার জানামতে গাছ কাটা ব্যাক্তিরা গাছ বিক্রি করার ব্যাপারে অবগত নন।

এদিকে এ খবর পেয়ে বেনাপোল রেলষ্টেশন এর জিআরপি পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন এবং ফিরে যাবার সময় জিআরপি পুলিশ সদস্য আবুল কালাম বলেন বেনাপোল এসে দেখা করার জন্য। তার কথামত মমিন ড্রাইভার ০৯ জুন বিকালে দেখা করলে তিনি ২৫ হাজার টাকার দাবি করেন। তা না হলে যারা গাছ কেটেছে তাদের নামে মামলা হবে। একপর্যায়ে জিআরপি পুলিশের কাছে মৌখিক ভাবে অসহায় হয়ে সত্য কথা বলেই আবার বিপদের মুখে নিরিহ জনগন।

news

কালো অন্তর্বাসে হট পোজ জ্যাকলিনের!

অনেক দিন পর হট অবতারে ধরা দিলেন শ্রীলঙ্কান বিউটি জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। জন্ম সূত্রে শ্রীলঙ্কার হলেও তিনি বলিউডে নাম কামিয়েছেন, লকডাউনের কারণে এখন হাতে কাজ নেই, সিনে জগতের সকলেই বাড়িতে বসে বসে বিভিন্ন কাজ করে নিজের মতো সময় কাটাচ্ছেন। সেলিব্রিটিদের সোশ্যাল একাউন্ট ঘাটলেই সব বোঝা যায়। লকডাউনের কারণে তিনিও বেশ এক্টিভ সোশ্যাল মিডিয়ায়।

তবে তাকে লকডাউনে সালমান খানের সাথে পানভেলের ফার্ম হাউজে দেখা গিয়েছে, সেখানে কোনো কাজে গিয়ে আটকে পড়েছেন, এর পর থেকে তিনি সেখানেই আছেন, ইতিমধ্যে সালমানের সাথে মিউজিক ভিডিও বানিয়ে পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এবার তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের হট লুকের ছবি পোস্ট করেছেন। সেই ছবি দেখে রীতিমতো হামলে পড়েছেন নেটিজেনরা, তিনি তার ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করেছেন অন্তর্বাস পরে। অন্তর্বাসে একদম বোল্ড আন্দাজে ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী। কালো রঙের অন্তর্বাস পরে বিছানার উপর হাঁটু গেড়ে বসে ক্যামেরার সামনে বসে পোজ দিতে দেখা গেছে তাকে।

news

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যু

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমণের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৮৮৮ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৪৩ জন। এ পর্যন্ত দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৫ হাজার ৭৬৯ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৭৮ জন। এ নিয়ে সর্বমোট ১৩ হাজার ৯০৩ জন সুস্থ হয়েছেন।

রবিবার (৭ জুন) দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এমন তথ্য জানানো হয়। ব্রিফিংয়ে বলা হয়, মারা যাওয়া ৪২ জনের মধ্যে ৩৫ জন পুরুষ ও ৭ জন নারী।

ব্রিফিংয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ১৩৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। গতকাল ১২ হাজার ৪৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৯৮৭টি। দেশে ৫২টি ল্যাবে (পরীক্ষাগার) করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। 

করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। অনলাইন ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ব্র্যাক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মিলে পরিচালিত বুথে অনলাইন নিবন্ধনের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এ বুথে কোনো টাকা লেনদেন না করতে অনুরোধ করেন তিনি।

সুএঃ এইবেলা

news

করোনাভাইরাস: হঠাৎ স্বাদ-গন্ধ না পাওয়াই সংক্রমণের প্রথম লক্ষণ

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: করোনা আক্রান্তের প্রথম লক্ষণ হতে পারে স্বাদ-গন্ধ না পাওয়া। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে অনেকে জ্বর বা কাশি শুরুর আগেই স্বাদ-গন্ধ হারিয়ে ফেলছে। যদিও এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ডের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ বা এনএইচএস শরীরে উচ্চ তাপমাত্রা এবং ঘন-ঘন কাশিকেই কোভিডের অন্যতম প্রধান দুই উপসর্গ হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে জ্বর বা কাশি শুরুর আগেই তারা স্বাদ-গন্ধ হারিয়ে ফেলছে।

ব্রিটিশ রিনোলজিক্যাল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট এবং শীর্ষ নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ক্লেয়ার হপকিন্স বলছেন, জ্বর বা কাশির চেয়েও হঠাৎ স্বাদ-গন্ধের অনুভূতি চলে যাওয়া কোভিডের আরো ‘বিশ্বাসযোগ্য‘ উপসর্গ হতে পারে। তিনি আরও বলছেন, যে স্বাদ-গন্ধ কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখলেই মানুষকে দ্রুত আইসোলেশনে যাওয়ার পর পরামর্শ দেওয়া উচিত।

প্রফেসর ক্লেয়ার হপকিন্স বলছেন, কোভিডে আক্রান্ত হলে হঠাৎ করেই রোগীর স্বাদ-গন্ধ চলে যেতে পারে। সর্দিতে নাক বন্ধ না হলেও এটা ঘটতে পারে। ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার একদম শুরুতেই এই উপসর্গ হাজির হতে পারে। তিনি আরও বলছেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্বাদ-গন্ধ নষ্ট হওয়াটাই একমাত্র উপসর্গ হিসাবে দেখা দিচ্ছে। প্রফেসর ক্লেয়ার বলছেন, ৪০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যাচ্ছে। তবে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য বিভাগ এখনও খতিয়ে দেখছে যে স্বাদ-গন্ধ হারানোকে করোনাভাইরাসের উপসর্গের তালিকায় ঢোকানো উচিৎ কিনা।

যদিও যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (সিডিসি) সাথে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ফ্রান্স এরই মধ্যে হঠাৎ স্বাদ-গন্ধ নষ্ট হওয়াকে কোভিডের উপসর্গের তালিকায় জায়গা দিয়েছে।

এদিকে লন্ডনের কিংস কলেজের তৈরি একটি করোনাভাইরাস ট্র্যাকার অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, এই অ্যাপ ব্যবহারকারিদের মধ্যে যারা কোভিড রোগে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের ৫৯ শতাংশই বলেছেন, তারা হঠাৎ করেই নাকে গন্ধ পাচ্ছেন না, জিভে স্বাদ পাচ্ছেন না।

কিংস কলেজ ও ইংল্যান্ডের নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ এক গবেষণায় দেখা গেছে, তাদের অ্যাপ ব্যবহারকারিদের মধ্যে যে প্রায় সাত হাজার লোক পরীক্ষায় কোভিড পজেটিভ হয়েছেন, তাদের ৬৫ শতাংশই বলছেন তাদের স্বাদ-গন্ধ নেবার ক্ষমতা চলে গিয়েছিল।

ব্রিটেনের নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ক্লেয়ার হপকিন্স বলছেন, আক্রান্ত হওয়ার সাত থেকে ১৪ দিনের মধ্যে স্বাদ-গন্ধের অনুভূতি ফিরে আসছে। কিন্তু ১০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে বেশি সময় লাগছে। এছাড়া ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীর গন্ধ পাওয়ার ক্ষমতা চিরতরে চলে যেতে পারে। কখনো কখনো তা ফিরে পেতে দেড় বছর লেগে যেতে পারে।

এ নিয়ে ইটালি, ফ্রান্স, স্পেন এবং বেলজিয়ামের কয়েকজন ডাক্তারের সাথে কাজ করছেন প্রফেসর হপকিন্স। তারা সবাই একমত হয়েছেন যে, মাথায় আঘাত না পেয়েও বা সর্দিতে নাক বন্ধ না হলেও কেউ যদি হঠাৎ স্বাদ-গন্ধ হারিয়ে ফেলেন, তাহলে তার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

“গবেষনায় আমরা দেখেছি অন্য কোনো উপসর্গ ছাড়াই যারা স্বাদ-গন্ধ হারাচ্ছেন, তাদের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯৫ শতাংশেরও বেশি।”

news

৭৩ বছর ধরে না খেয়ে থাকা যোগী প্রহ্লাদ আর নেই !

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: চলে গেলেন ভারতীয় যোগী পুরুষ প্রহ্লাদ জানি। তিনি দাবি করতেন, কোন খাদ্য ও পানীয় ছাড়াই দীর্ঘ ৭ দশকের বেশি সময় ধরে বেঁচে আছেন। এজন্য ভারতসহ সারাবিশ্বে অসংখ্য ভক্ত ছিল তার। গত মঙ্গলবার অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেয়ার পর তিনি মারা যান।

মাতাজি আখ্যাপ্রাপ্ত এই যোগীর প্রতিবেশীরা জানান, মঙ্গলবার সকালে এই সংবাদ পাই। আম্বাজি শহরে তার তৈরি আশ্রমে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ ২ দিন রাখা হবে।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গুজরাটের চারাদা গ্রামে বাস করতেন প্রহ্লাদ জানি। তাকে পাওহারি বাবা বলে ডাকা হতো। যার অর্থ, পবন-আহারি বা বাতাস সেবনকারী। তিনি ১৯২৯ সালের আগস্ট মাসে জন্মগ্রহণ করেন। ধ্যান করলেই তিনি কাজের শক্তি পেতেন। ১৮ বছরের বয়সে ঠিক করেন জীবনটা অন্যভাবে কাটাবেন। তখনই শুরু হয় যোগাসন ও বায়ুসাধনা।

তিনি পরিধান করতেন লাল কাপড়, কপালে লাল টিপ। এক মুখ দাড়ি গোঁফ। অলঙ্কারও পরতেন দিব্যি। যে কোনও সমস্যায় পড়লে পাওহারি বাবা দিতেন সমাধান। এ জন্য কোনো অর্থ গ্রহণ করতেন না তিনি।

যোগী প্রহ্লাদ জানির না খেয়ে থাকার দাবি যাচাই করতে বেশ কয়েকবার তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা বিজ্ঞানীদের মধ্যে ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডা. এপিজে আবুল কালামও ছিলেন। কিন্তু বিজ্ঞানী ও ডাক্তাররা কোনও সূত্রই খুঁজে পাননি। তার জীবন প্রণালী নিয়ে কোনও ব্যাখ্যা দাঁড় করানো যায়নি।

এর আগে ২০১০ সালে ডিফেন্স ইন্সটিটিউট অব ফিজিওলজি অ্যান্ড অ্যালাইড সায়েন্সেস (ডিআইপিএএস) এবং ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপম্যান্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) নিবিড় পরিবেশে তাকে সম্পূর্ণ আলাদা স্থানে রেখে ১৫ দিন পর্যবেক্ষণ করে। এমআরআই, আল্ট্রাসাউন্ড, এক্স-রে এবং সূর্যালোকের নিচে বিরামহীন ভিডিও করা হয়। কিন্তু সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরও তার না খেয়ে থাকার দাবি ভুল প্রমাণ করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা।

ঈশাহারা নিউজ, news, sun bd

চীন-ভারত উত্তেজনা; দোভালের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে মোদি !

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ায় লাদাখের পরিস্থিতিতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। তাই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

মঙ্গলবার (২৬ মে) লাদাখে নিরাপত্তা সংক্রান্ত দিকগুলো খতিয়ে দেখতে এবং সেনাবাহিনীর কৌশল ঠিক করতে প্রথমে বৈঠক করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত এবং তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে।

ভারতের স্থানীয় গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, পাকিস্তানে মদতে কাশ্মীরে যারা পাথর ছোঁড়ে, তাদের মতই ব্যবহার করেছে চীন। লাঠি, মুগুর, কাঁটাতার আর পাথর নিয়ে এসেছিল চীনা সেনা। ওই সূত্র আরও জানাচ্ছে যে, সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘন করে চীন ভারতে ঢুকে পড়া নিয়ে একাধিকবার চীনের সঙ্গে সংঘাত হয় ভারতের। 

চলতি মাসের প্রথম দিকে তা নিয়ে নতুন করে দু’দেশের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। গত ৯ মে উত্তর-পূর্ব সীমান্তে নাকুলা সেক্টরে ভারতীয় জওয়ানদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন চীনা বাহিনী। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হন। দু’পক্ষের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে সাময়িকভাবে উত্তেজনা কমলেও, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং গত কয়েক দিনে প্যাংগং এবং গালওয়ান উপত্যকায় সেনা মোতায়েন করেছে দু’পক্ষই।

এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। এছাড়াও ছিলেন সংশ্লিষ্ট দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা। ছিলেন তিন সেনার প্রধানরা। চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াতও অংশ নেন বৈঠকে। আরও একটি পৃথক বৈঠকে আলাদা করে বৈঠক করেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সঙ্গেও। 

প্রাক্তন আর্মি কমান্ডার লেফট্যানেন্ট জেনারেল ডিএস হুদা বলেন, ‘এটা মোটেই স্বাভাবিক ঘটনা নয়। বিশেষ গালোয়ান ভ্যালিতে এভাবে চীনা সৈন্যের আনাগোনা বেশ উদ্বেগের বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। কিন্তু যে গালওয়ানে চীনা সেনার সমাবেশ ঘটেছে, তা নিয়ে দু’দেশের মধ্যে কোনো কালেই বিরোধ ছিল না।

news

জয়পুরহাটে ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে নিহত ৪

জয়পুরহাট প্রতিনিধি : জয়পুরহাটে ঝড়ের সময় গাছ ভেঙে ঘরের ওপর পড়ে দুই সন্তানসহ এক গৃহবধূ এবং আলাদা ঘটনায় এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার গভীর রাতে ক্ষেতলাল পৌর এলাকার খলিশাগাড়ী গ্রামে ও কালাই উপজেলার হারুঞ্জা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- খলিশাগাড়ী গ্রামের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জয়নাল মিয়ার স্ত্রী শিল্পী বেগম (২৭) ও তার দুই ছেলে নেওয়াজ মিয়া (৭), নিয়ামুল হোসেন (৩) এবং হারুঞ্জা গ্রামের ছালামত আলীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম (৭০)।

এলাকাবাসীর বরাতে জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার সালাম কবির জানান, মঙ্গলবার রাতে প্রচণ্ড ঝড় শুরু হলে একটি গাছ জয়নাল মিয়ার ঘরের চালার উপরে পড়ে। এ সময় ঘরের দেয়াল ভেঙে পড়লে তাতে চাপা পড়ে তার স্ত্রী ও দুই সন্তান আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে ক্ষেতলাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এ সময় জয়নাল অন্য ঘরে থাকায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

তিনি জানান, একই সময় প্রবল ঝড়ে একটি গাছ ভেঙে মরিয়ম বেগমের ঘরের চালার ওপর পড়ে। এ সময় ঘরের দেয়াল ভেঙে চাপা পড়ে তার মৃত্যু হয়।

এ ছাড়াও জেলায় প্রায় ২ শতাধিক কাঁচা ও আধাপাকা বাড়ি-ঘর ভেঙে গেছে এবং  কয়েক হাজার গাছ-পালা উপড়ে পড়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

news

নতুন করে ঝালকাঠিতে আরও পাঁচজনের করোনা শনাক্ত

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪১ জন দাঁড়াল বলে ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ডা. শ্যামলকৃষ্ণ হাওলাদার জানান। আক্রান্ত ব্যক্তিরা হলো ঝালকাঠি সদরে ২ জন, নলছিটিতে ২ জন এবং রাজাপুরে ১ জন। 

সিভিল সার্জন ডা. শ্যামলকৃষ্ণ হাওলাদার বলেন, “কয়েকদিন আগে ওই ব্যক্তিদের নমুনা আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছিল। 

বুধবার সকালে রিপোর্টে ওই ব্যক্তিদের করোনাভাইরাস পজেটিভ আসে।”

ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এনডিসি (নেজারত ডেপুটি কালেক্টর) আহমেদ হাসান বলেন, “কয়েকদিন আগে স্থানীয়দের কাছে ওই ব্যক্তিদের অসুস্থতার খবর পেয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। 

উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল ঝালকাঠি সদর উপজেলায় প্রথমবার একই পরিবারের তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়। ওই পরিবারের বাড়িতে যাতায়াত করা এক ইউপি সদস্যের শরীরেও পরে এ রোগের সংক্রমণ ধরা পড়ে। ১৭ এপ্রিল ঝালকাঠি সদর উপজেলাকে অবরুদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এর পর থেকে আস্তে আস্তে করে করোনা সংক্রমণ বাড়তেই থাকে জেলায়। বর্তমানে জেলায় আক্রান্ত ৪১ এবং মৃত-২ জন।

news

আমার জীবনের গল্প: যশোদা জীবন

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: এখন আর চাকরি বাকরি নাই একটু মন দিয়ে পড়াশুনা করা যাবে। জুয়েলের কাছ থেকে নোট নিয়ে পড়াশুনা শুরু করলাম। টেবিলে পড়তে বসেছি বরাবরই রাত এগারোটার পরে কারন ঐ সময় আড্ডার আর কেউ থাকে না। জুয়েল, পপি, ওপেল, মুজিম, শামীম বরাবরই আমার চাইতে একটু পড়াশুনায় ভালো। আমি কোন দিনও খুব ভালো ছাত্র ছিলাম না। ক্লাসের প্রথম আমি কোন দিনই হতে পারিনি আর হবোই বা কিভাবে? দারিদ্রতা এবং চাকরির ব্যস্ততা আমাকে আকরে রেখেছিলো। বই এর পাতায় চোখ বুলানো ছাড়া আর কিছুই করিনি, যতটুকু নিজের ম্যামুরিতে ক‍্যাচ করে ততটুকুই আমি পড়তাম। তাই সর্বদাই আমি মিডিয়াম শ্রেণির ছাত্র ছিলাম আর সে জন‍্যই সরকারি চাকরির জন‍্য চেষ্টাও করি নাই। পড়াশুনার প্রতি আমার অনুরাগ ছিলো বরাবরই তাইতো সবসময়ই মনে হতো ভবিষ্যতেও পড়াশুনা করতে হবে। জ্ঞান বিজ্ঞানের যুগে পড়াশুনার বিকল্প নাই। জানতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে। চিন্তা করতে করতে অনেকটা সময় চলে যেতো আমার। যা-হোক একটা পর্যায় পরীক্ষার সময় টাও চলে আসলো যথারীতি শেষ ও হয়ে গেলো। পরীক্ষা শেষে বন্ধুরা সবাই যে যার মতো বাড়িতে বা ঘুরতে চলে গেলো আর আমি চলছি ভাগ‍্য খোলার অন‍্যসনে। এদিকে ছোট ভাই সুদর্শন ও এইচ.এস.সি পরীক্ষা দিয়ে ফেলছে, ওকেও ঢাকায় নিয়ে আসতে হবে, আস্তে আস্তে দুশ্চিন্তা যেন বেড়েই চলছে। দুশ্চিন্তা হতে চলছে এখন আমি কোথায় থাকবো? কি করবো? এই চিন্তায় যেন আমি মসগুল। সৃষ্টিকর্তা সব সময় পরীক্ষায় ফেলে আবার তিনিই উত্তীর্ণ হওয়ার রাস্তাও দেখিয়ে দেন তাই তো আলমগীর এবং এবাদ ভাই বাসা নেওয়ার জন‍্য চিন্তা করছে। আমিও যোগ দিলাম তাদের সাথে। আলমগীর আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, কাজী এবাদ ভাই রাজনীতি করেন, উনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট। আমরা তিন জন মিলে ভূতের গলীতে একটি ফ্লাট ভারা নিলাম। আমাদের তিনজনেরই আর্থিক অবস্থা একই রকম। কাজী এবাদ ভাই একজন পরিপাটি মানুষ। তাই উনি এক রুমে আর আমি আর আলমগীর একরুমে থাকতাম। এবাদ ভাই সুন্দর করে রান্না করতে পারেন। তাই মাঝে মাঝে উনিই রান্না করতেন। আলমগীরও মাঝে মাঝে করতো, আমার এই রান্না করার অভ‍্যাসটা কখনোই করতে পারিনি। এটা আমার অনেক ব‍্যার্থতার মধ্যে একটা। আমি ভুলে যাওয়ার আগে বলে যেতে চাই, আমার বন্ধু বান্ধব স্ব স্ব স্হানে অনেক ভালো পজিশনে আছে আর এটাই আমার সৃষ্টিকর্তার কাছে কাম‍্য। কাজী এবাদ ভাই সম্প্রতি বাংলাদেশ হাইকোর্টের মহামান‍্য জজ হয়েছেন। আলমগীর ও হাইকোর্টে বড় একজন উকিল। তাদের সার্বিক সাফল‍্য সব সময় কামনা করি। যাহোক, ভুতের গলি বাসা থেকে আমি চাকরির জন‍্য চষ্টা করছি। অবশেষে আমার চাকরি হলো -ডেস্কটপ কম্পিউটার এন্ড কানেকশনস লিমিটেডে। মালিক বোরহান ভাই। আইটি জগতের একজন পুরাতন লোক। বাংলাদেশে ওনাকে সবাই চিনেন। উনার কম্পিউটারের ব্রান্ড ছিলো কমপ‍্যাক কম্পিউটার। আমেরিকান কোম্পানির প্রডাক্ট। যেহেতু আমার পূর্বের অভিজ্ঞতা ছিলো – তাই মার্কেটিং পেশাই বেছে নিলাম। ডেস্কটপের আমার কলিগ গুলো অনেক মাই ডিয়ার টাইপের মানুষ। সবুজ ভাই, অনিক ভাই, খোরশেদ ভাই, মাহবুব ভাই, মারুপ, জাকির, অনিতা, কামরুল, সিহাব আরো অনেকে যারা আমার কলিগ ছিলেন। সবার সাথে সম্পর্ক ছিলো একটা পরিবারের মতো। যেহেতু আমার কম্পিউটার মার্কটিং এর আগের অভিজ্ঞতা ছিলো তাই চট করে হাল ধরতে পেরেছিলাম ডেস্কটপের। ক্লাইন্ট গুলো ছিলো সফস্টিকেটেড। আলফা সার্ভারের মতো ক্লাস্টারিং সার্ভার সেবা টেলিকমে বিক্রি করতে আমার কোন অসুবিধা হয়নি। UNDP, Care Bangladesh, US Embassy, Australian Embassy, Neslay Bangladesh, National Board of Revenue যাতায়াত ছিলো আমার অনায়াসে। বিভিন্ন মিনিষ্ট্রির সাথে সম্পর্ক হয়েছিল সেই এক রকম। এই ভাবেই চলছে আমার দিন, দিনতো আর থেমে থাকে না। দিন তার নিজস্ব গতিতেই চলতে থাকে।

আমার ব‍্যস্ততার কারনে অনেক গুলো ঘটনা আমি বাইপাস করে গেছি আগেই, সেটা হলো অনেক আগেই আমার বোনদের বিয়ে হয়ে গেছে। আমার ছোট ভাই সুদর্শন কলেজ শেষ করেছে। আমার ছোট ভাই ও মাঝে মাঝে ঢাকায় এসে আমার কাছেই থাকে। ঢাকায় এসে কম্পিউটারের বেসিক কোর্স গুলো করছে সাথে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন‍্য প্রস্ততি নিচ্ছিল সুদর্শন। আমার ছোট বোনটি নারায়ণগঞ্জে বিয়ে হয়েছে। মাঝে মাঝে আমার ছোট্ট ভাই নারায়ণগঞ্জে ও থাকে ছোট বোনের কাছে। উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হবে সেইসাথে কম্পিউটার শেখার আগ্রহ হর ভীষন, তাই সময় কে নষ্ট না করে ঢাকায় এসে সময়কে কাজে লাগাচ্ছে কম্পিউটার কোর্স এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং করে। কম্পিউটার যেন একটা খেলনা পুতুলের মতো বানিয়ে নিতো সুদর্শন। একবার সমস্ত কমপোনেন্ট খুলে ব‍্যাগে ভরে আবার সে জোরা তালি দিয়ে একটি পূর্নাঙ্গ কম্পিউটার বানিয়ে ফেলে, এক কথায় বলা যায় সে একজন পূর্নাঙ্গ হার্ডওয়ার ইন্জিনিয়ার নিজেকে পরিচিতি করে ফেলেছে। আমার ও নারায়ণগঞ্জ ছোট বোনের বাসায় যাওয়া হতো সাপ্তাহিক ছুটির দিনে। মাঝে মাঝে আমার বন্ধু আলমগীর ও বাবুল কেও নিয়ে যেতাম সময় পেলে। সুদর্শন ঢাকায় এসে বাড়ির সাথে যোগাযোগ সহ আমাদের পরিবার-পরিজন আত্মীয়-স্বজন যে যেখানে আছে সবার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করত এটা যেন ওর একটা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। ছাত্র জীবন থেকেও দায়িত্ব জ্ঞান বোধ এতটাই ভাল তাই সুদর্শন’কে নিয়ে আমরা সবাই অনেক স্বপ্ন দেখতাম। জীবনের চরম বাস্তবতা একটা মানুষকে কতটা অসহায় করে দিতে পারে, তা হয়তো বাস্তবতা দিয়ে উপলব্ধি করতে হয়। দেখে শুনে পড়ে বাস্তবতার উপলব্ধি কোনদিনও কারো জীবনে আসে না, কারণ বাস্তবতা নিজের রক্তের সাথে মিশে গিয়ে সুখ-দুঃখ, ভালোলাগা-মন্দলাগা, সফলতা, ব্যর্থতা, পাওয়া, না-পাওয়া এমন হাজারো অভিজ্ঞতা মানুষকে শিখিয়ে দিয়ে যায়। বাস্তবতা সেতো শুধুই বাস্তবতা। যাকে কেউ কোনদিন অস্বীকার করতে পারে নাই, আর আমি…। চলবে….

copy : এইবেলা ডেস্ক

news

দীক্ষা কি? দীক্ষা গ্রহণ করার আবশ্যকতা কোথায়?

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: দীক্ষা সর্বকার্যে শুদ্ধিকারক। অদীক্ষিত কোন ব্যক্তি যদি আধ্যাত্মিকতার যেকোন কার্য করুক না কেন? তৎসমুদয়ের কোন মূল নেই। তাই প্রত্যেকে দীক্ষা গ্রহণ করা অবশ্যই উচিত। দীক্ষা ব্যতীত কোন ভক্তকে ভগবান নিজেও দর্শন দেন না তা শাস্ত্রে বিধিত আছে।

দীক্ষা কি?
যে কার্য পাপক্ষয় করিয়া দিব্য জ্ঞান প্রকাশ করে, তাই দীক্ষা। প্রকৃতপক্ষে দীক্ষার অর্থ বর্ণ বা শব্দ বিশেষ, শ্রবণ করা নহে। বর্ণ বা বর্ণগুলি শব্দব্রহ্ম বা নাদব্রহ্ম বলিয়া পরিকীর্তিত আছে। সেই শব্দব্রহ্ম বা নাদব্রহ্মই বর্ণ। সেই বর্ণই ভগবানের নাম। নাম এবং নামী অভেদ, কিছুই প্রভেদ নাই। এইভাবে যেই নাম বা মন্ত্র গ্রহণ করা হয় তাহাই দীক্ষা। যিনি নামে এবং মন্ত্র এ মন্ত্রের অভীষ্ট দেবতাকে এক ভাবেন, তিনি প্রকৃত দীক্ষিত। দীক্ষামন্ত্র গ্রহণ করিলে শব্দব্রহ্ম বা নাদব্রহ্ম অভীষ্ট দেবতার না হয় এবং হৃদয়ে নিজ ইষ্ট দেবতার ভাব উদ্দীপন না হয়, তবে সেইরূপে মন্ত্র বা দীক্ষা গ্রহণ করিয়া দীক্ষা বা মন্ত্র গ্রহণ শব্দ প্রয়োগ না করাই শ্রেয়ঃ। দৃঢ় বিশ্বাস বা ভক্তিই মূল।

দীক্ষা গ্রহণ করার আবশ্যকতাঃ
অদীক্ষিতাং লোকানাং দোষং শৃনু বরাননে।
অন্নং বিষ্ঠা সমং তস্য জলং মূত্র সমং স্মৃতম্‌।
যৎ কৃতৎ তস্য শ্রাদ্ধং সর্বং যাতিহ্যধোগতিম্‌।।১
(তথাহি মৎস্যর্সূক্তে)

অর্থঃ অদীক্ষিত ব্যক্তি অন্ন বিষ্ঠার সমান, জল মূত্রতুল্য। তাহারা শ্রাদ্ধাদি কার্য যাহা কিছু করে, তাহা সমস্তই বৃথা।

ন দীক্ষিতস্য কার্যং স্যাৎ তপোভির্নিয়মব্রতৈ।
ন তীর্থ গমনে নাপি চ শরীর যন্ত্রণৈঃ।।২
অদীক্ষিতা যো কুর্বন্তি তপো জপ পূজাদিকাঃ।
ন ভবতি ক্রিয়া তেষাং শিলায়ামুপ্ত বীজবৎ।।৩

অর্থঃ দীক্ষা গ্রহণ না করিলে কোন কার্য করিবার অধিকার জন্মে না। সেই জন্য জপ, তপ, নিয়ম, ব্রত, তীর্থ, ভ্রমণ উপবাসাদি শারীরিক কষ্ট দ্বারা কোন ফল দর্শিবে না।

অদীক্ষিতোহপি মরণে রৌরবং নরকং ব্রজেৎ।
অদীক্ষিতস্য মরণে পিশাচত্বং ন মুঞ্চতি।।
অদীক্ষিত ব্যক্তিগণ মৃত যদি হয়।
রৌরব নরকে বাস জানিবে নিশ্চয়।।
স্কন্ধ পুরাণেতে তার আছয়ে বর্ণন।
মৃত্যু পরে হবে তার পিশাচে জনম।।
দীক্ষা মূলং জপং সর্বং দীক্ষা মূলং পরং তপঃ।
দীক্ষামাশ্রিত্য নিবসেৎ কৃত্রশ্রমে বসদ্‌।।
জপ, তপ, তন্ত্র, মন্ত্র, দীক্ষা মূল হয়।
দীক্ষা ভিন্ন সর্বকার্য হইবেক ক্ষয়।।

news

গুগলে যোগ দিচ্ছেন বুয়েট শিক্ষার্থী অনিক সরকার

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার ধারাবাহিকতায় গুগলের ইউরোপীয় হেড অফিস ডাবলিনে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ডাক পেয়েছেন অনিক সরকার

তিনি গুগলের ক্লাউড স্টোরেজ টিমে যোগ দিচ্ছেন।

অনিক সরকার ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন এবং বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল এর শিক্ষার্থী। ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া ছাড়াও তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেই বুয়েট থেকে পাশ করেছেন এবং বুয়েটে রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করছেন।

গ্রাজুয়েশন শেষ করে তিনি বুয়েটেই পোস্ট গ্রাজুয়েশনে ভর্তি আছেন। ছোট বেলা থেকেই তিনি প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছেন, যার সর্বশেষ অর্জন হিসেবে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের স্বপ্নের কর্মস্থল গুগলে নিযুক্ত হওয়া!

copy : এইবেলা ডেস্ক

ঈশাহারা নিউজ, news

দেবিদ্বারে হিন্দু পরিবারের উপর হামলা!

কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের ললিতাশার গ্রামের এক অসহায় হিন্দু পরিবারের উপর হামলার খবর পাওয়া যায়।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে।

হামলায় একই পরিবারের সাত সদস্য আহত হয়। হামলায় আহত ব্যক্তিরা হলো নিতাই চন্দ্র দত্ত (৪৮) ও তার মা যুতি বালা দত্ত (৭৫), স্ত্রী শখা রানী দত্ত (৩৫), তার ছেলে তপু চন্দ্র দত্ত (২০), বড় ভাই নিমাই চন্দ্র দত্ত (৫৮), ছেলে সুজন চন্দ্র দত্ত (২৮) ভাগিনা শান্ত দত্ত (১৪) । হামলা শেষে তাদের এলাকা ছাড়ার কথাও বলা হয়। এলাকা ছেড়ে না গেলে স্বপরিবারে তাদের হত্যার হুমকিও দেয়া হয়।

হামলাকারীরা হলো তালতলা গ্রামের মৃত আবুল কাশেম এর পুত্র মো.কামাল হোসেন (৩৫), মো.গোলাম মোস্তফা(৪৪) মো.জাকির হোসেন ও তাদের দলবল। হামলার প্রতিকার চেয়ে অসহায় পরিবারটি দেবিদ্বার থানায় মৌখিক অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ললিতাশার গ্রামের নিতাই চন্দ্র দত্তের পানের বরজ (ফসলি জমি) উপর দুইটি গাছ কাটাও সাথে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছে কামালদের সাথে। উক্ত বিরোধের জেরে প্রায়ই নিতাই চন্দ্র দত্তের পরিবারের উপর বিভিন্নভাবে অন্যায় অত্যাচার সহ তাদের স্বপরিবারে নিজ বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পায়তারা করে কামালের লোকজন। এমনকি জমি বর্গা চাষের কথা বলে দখলও করে রেখেছে।

অসহায় নিতাই চন্দ্র দত্ত জানান, এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে দেবিদ্বার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। অভিযোগ দায়ের করেও এখন বিপদে আছি। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আমাদের হুমকি দেয়। আমাদের হিন্দু বাড়িতে ডাকাতির প্রধান আসামি কামাল ডাকাত আমাদের গ্রামের মা-বোনদেরকে একাধিকবার নির্যাতন করেছে। কামালের বিরুদ্ধে ডাকাতির মামলা রয়েছে। সে আমাদের মেরে ফেলবে।

এ বিষয়ে তদন্ত কারী অফিসার মো.আবদুস সালাম বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সত্যাতা পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.জহিরুল আনোয়ার জানান, মৌখিক অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করার জন্য অফিসার পাঠিয়েছি। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

copy : এইবেলা ডেস্ক

news

রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ গার্মেন্টসে কর্মরত পিপাসা মন্ডল !

ঈশাহারা নিউজ ডেস্ক: অনন্ত গ্রুপ গার্মেন্টসে কর্মরত পিপাসা মন্ডল (২৫) নামের এই হিন্দু নারীর রহস্য জনক ভাবে নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এঘটনায় নিঁখোজ পিপাসার মা মমতা বাড়ৈ ২০ মে ঢাকার আশুলিয়া থানায় একটি সাধারন ডায়রি (জিডি) করেছেন, যার নং ১৯৪।

জিডি ও তার পরিবারিক সুত্রে জানা গেছে, গার্মেন্টসে চাকরি করার সুবাদে ঢাকার আশুলিয়া থানার নিশ্চিন্তপুর এলকায় মোঃ সানাউল্লাহ মিয়ার বাড়িতে পরিবার পরিজন নিয়ে ভাড়া থাকে পিপাসার মা মমতা বাড়ৈ। করোনা ভাইরাসের লগ ডাউনের কারনে তারা তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ব্রাক্ষ্মনকাঠীতে না গিয়ে তারা আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের ভাড়া বাসায় থেকেই অনন্ত গ্রুপের গার্মেন্টসের কাজ করছিলো।

এ অবস্থায় গত ১৯ মে সকালে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে যাওয়ার জন্য পিপাসা মন্ডল আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের সানাউল্লাহ মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে এ পর্যন্ত আর বাসায় ফেরেনি পিপাসা। সে তার গ্রামের বাড়ি (বাবার বাড়ি) বরিশালের উজিরপুর উপজেলার কুড়লিয়া গ্রামে বা তার শশুর বাড়ি বানারীপাড়ার ব্রাক্ষ্মনকাঠীতেও আসেনি বলে পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে৷

এ অবস্থায় পিপাসা মন্ডলকে বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে তার পরিবার পরিজন চরম হতাশা ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান পিপাসা মন্ডল নিখোঁজের জিডির সূত্র ধরে তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে৷

সুএঃ এইবেলা         

news

কাউখালীতে ভাইকে কুপিয়ে বোনকে গণধর্ষণ !

পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় ভাইকে (২২) কুপিয়ে জখম করার পর বোনকে (২৪) তুলে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। 

শুক্রবার (২২ মে) রাতে উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের জোলাগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতা তরুণী ও তার আহত ভাইকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা পেশায় মৎস্য শিকারী বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নূরে আলমের বরাতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ওই ইউপির ৮নং জোলাগাতি ওয়ার্ডের সদস্য মামুন হোসেন।

হামলায় আহত যুবক জানান, রাতে ওই গ্রামের শিকদার বাড়ির কাছে আসলে তার বোনকে তুলে নিতে যায় স্থানীয় ৬-৭ জন যুবক। তাদের বাধা দিলে জামাল বয়াতি (২৮), জিয়াদুল শিকদার (২৫), আবু বক্কর ছিদ্দিকী (২৪), মিজান শিকদার (২৬), ইব্রাহিম মৃধা (২৩) তাদের কুপিয়ে ও মারধোর করে তার বোনকে তুলে নিয়ে যায়।

পরে কামাল গাজী (৩৫) ও আকব্বর আলী হাওলাদারের ছেলে শাহিন হাওলাদার (২৫) ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন তার ভাই।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শিকদার বাড়ির কাছের একটি ব্রিজে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে অজ্ঞান অবস্থায় ওই তরুণী ও তার ভাইকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সুব্রত বিশ্বাস জানান, ওই তরুণীকে হাসপাতালে ভর্তি করার কিছু পর তার জ্ঞান ফেরে।

তার ভাইয়ের ডান হাঁটু, ও বাম হাতের কনুই থেতলানো এবং মাথার উপরে ডান পাশে কাটা চিহ্ন পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত স্থানীয় শীর্ষ সন্ত্রাসী কামাল গাজীর থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
থানার ওসি (তদন্ত) মো. রেজাউল করিম রাজিব জানান, এ ব্যাপারে এখানো কোনো মামলা দায়ের হয়নি। রাত ২টার দিকে সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে। মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য তাকে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত স্থানীয় শীর্ষ সন্ত্রাসী কামাল গাজীর থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

ঈশাহারা নিউজ, news, sun bd

পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের অব্যবস্থাপনায় রাস্তায় রাত কাটাচ্ছেন বাংলাদেশি যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের বেনাপোলের ওপারে ভারতের পেট্রাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের নানা অব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশি পাসপোর্ট ধারী যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ নেই।

তাদের অব্যবস্থাপনায় করোনার এ ক্রান্তি কালে দেশে ফিরতে অসুস্থরাও রোদ, বৃষ্টি মাথায় নিয়ে দু’দিন ধরে ইমিগ্রেশন এলাকায় রাস্তায় দীর্ঘ লাইনে রাত কাটাচ্ছেন।

তাদের মধ্যে মঙ্গলবার (১৯ মে) হঠাৎ সহস্রাধিক যাত্রীকে এক সাথে ছাড়ায় বেনাপোল ইমিগ্রেশনে শারীরিক পরীক্ষা শেষ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে দেশের মাটিতে পা রেখেও বাড়ি ফিরতে পারেননি কেউ।

তবে বেনাপোল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা রাত জেগে কাজ করছেন দু’দিন ধরে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের ছাত্রপত্র দেওয়ার জন্য।

মঙ্গলবার রাতে পেট্রাপোলের এপারে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটকে থাকা যাত্রী দের সাথে কথা বলে তাদের করুন কষ্টের কথা উঠে আসে।

জানা যায়, ভারতে লকডাউনে আটকা পড়েন বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসা, ব্যবসা ও ভ্রমণের জন্য যাওয়া কয়েক হাজার বাংলাদেশি। ইচ্ছা থাকলেও লকডাউনে কড়াকড়ির কারণে তারা এতদিন ফিরতে পারেননি।

পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে চলে আসায় তারা দূর-দূরান্ত থেকে কেউ যানবাহনে আবার কেউ হেঁটে চেকপোস্টে আসেন। কিন্তু ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের কাজের ধীরগতি ও নানান টালবাহনায় এসব যাত্রী দু’দিন ধরে খেয়ে না খেয়ে রোদ, বৃষ্টি মাথায় নিয়ে রাস্তার ওপর রাত কাটাচ্ছিলেন। হঠাৎ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সব যাত্রীকে এক সাথে ছেড়ে দেয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।

এতে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষ না হওয়ায় তারা আটকা পড়েছেন।

এদিকে ইমিগ্রেশন ভবনে সংকীর্ণ জায়গায় ভারত ফেরত যাত্রীদের মধ্যে কোন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা যাচ্ছে না। ফলে যাত্রীদের পাশাপাশি বড় ধরনের করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়েছেন ইমিগ্রেশন ভবনের পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

ভারত ফেরত পাসপোর্ট যাত্রী শেফালী ও জয়ন্তী রানী বলেন, দু’দিন পর বাংলাদেশে ঢুকতে পারলেও বাড়ি ফিরতে পারছি না। ইচ্ছে করেই ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের দাঁড় করিয়ে রাখে। এসময় তারা না খেয়ে রাস্তায় রাত কাটালেও কেউ তাদের খবর নেয়নি।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার সুভাশিস জানান, ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ এসব যাত্রীকে একসাথে ছেড়ে দেওয়ায় ভিড় বেড়ে নানান অসুবিধা হচ্ছে। এত যাত্রীর চাপ, কোন ভাবেই তাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ শেষ করতে রাত জেগে স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করেছেন।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব রাত সাড়ে ১১টায় জানান, ফেরত আসা যাত্রীরা আপাতত ইমিগ্রেশন ভবনে অপেক্ষা করছেন। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে তাদের শারীরিক পরীক্ষা ও পাসপোর্টের কাজ চলছে। এ পর্যন্ত ৮০০ যাত্রীর পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ হয়েছে। বাকিদের কাজ চলছে। তবে যাদের কাজ শেষ হয়েছে, লকডাউনের কারণে যানবাহন বন্ধ থাকায়, তারা ঘরে ফিরতে পারছেন না।

ঈশাহারা নিউজ

কঠোর থেকে কঠোর লকডাউনে প্রশাসন তৎপর থাকলেও সড়কগুলোয় যান চলাচল রয়েছে স্বাভাবিক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ যশোর জেলায় কঠোর থেকে কঠোর লকডাউনে যে সব চলতে দেখাগেছে বাস, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল ও রিকশা। রাস্তায় পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, র‍্যাব, আনসার এবং সেনা সদস্যদের মোতায়েন থাকতে দেখা গেছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ প্রশাসন দুর দুরন্ত থেকে শহর মুখী মানুষের সচেতনতা মূলক সতর্ক করেন সে সাথে কারণদর্শন জিজ্ঞেসাবাদও করতে দেখা গেছে। এদিকে বিধিনিষেষের মধ্যে বলা হয়েছে, লকডাউন চলার সময়ে সব ধরণের গণ-পরিবহনসহ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যেকোনো যান্ত্রিক পরিবহনের চলাচল করতে পারবে না। বন্ধ রাখা হয়েছে সরকারি, আধাসরকারী, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত অফিসসহ শপিংমল ও দোকানপাট। সম্প্রতি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জেলাসহ সারা দেশে করোনাভাইরাসের শনাক্ত ও মৃতের হার প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকায় এই সর্বাত্মক কঠোর লকডাউনের নির্দেশ দেয়া হয়। এবারের লকডাউনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কোন যৌক্তিক কারণ ছাড়া কেউ বাইরে বের হলেই তাদের গ্রেফতার করা হবে। শুধুমাত্র ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা, জরুরি চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ সৎকার ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাইরে বের হওয়া যাবে। কিন্তু আমরা অনেকেই এখনো সচেতনতা মানতে নারাজ। গোঠা পৃথিবী জুড়ে শুরু হতে যাচ্ছে দুর্ভিক্ষ্য। গরিবের সন্চায় শেষ মধ্যবিত্তের আহাজারী।

ঈ/নি :হাবিবুর রহমান রিফাত

ঈশাহারা নিউজ

ফরিদপুরের মধুখালিতে কেউ স্বাস্থবিধি মানছে না

বিশেষ প্রতিনিধিঃ সারা দেশে করোনার মৃত্যু ও সংক্রামক দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও ফরিদপুরের মধুখালি উপজেলায় কামারখালিকে করোনাকে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে চলছে জনগন। এলাকায় স্বাস্থ্য বিধি কেউ মানছেন না। বিশেষ করে কামরখালির মাছবাজার,কসমেটিক পট্টি, চা বিক্রেতা, সেলুন ব্যবসায়িকরা লকডাউন উপেক্ষা করে চালাচ্ছে তাঁদের ব্যবসা।তাঁদের মধ্যে অনেকর মুখে মাস্ক ছাড়া চলছে। মধুখালি উপজেলায় মধ্যে একটি বৃহৎ ব্যবসা কেন্দ্র । প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই বাজারে আসেন তাদের নিত্যপর্ণসহ সবধরনের বাজার হাট করতে। প্রতিদিন এ বাজারে প্রায় ২০ হাজার লোকের সমাগম ঘটে।
কিন্তু করোনার মৃত্যু ও সংক্রামক দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতা কেউ এখন আর স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলছে না। মাক্স পড়া, দূরত্ব বজায় রাখা, হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করা। কোন কিছুই আর মানুষ পাত্তা দিচ্ছে না। বাস্তবে স্বাস্থ্য বিধি মানার প্রবণতা একেবারেই দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে উপজেলার করোনা রোগীর সংখ্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কামারখালি ফরিদপুর জেলার শেষ এবং মাগুড়া জেলা শুরু এই দুই সীমান্তে করোনা রোগীর সংখ্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকাটি অত্যান্ত ঝুকির মধ্যে থাকছে। কারন এই উপজেলার জনগনের যাতায়তের একমাত্র সড়ক পথ হলো কামার খালি বাজার হয়ে যাতায়ত করতে হয়। এই দুই জেলার জনগন বিশেষ করে মাগুরা জেলার লোকজন ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার যাতায়ত করে থাকে এই বাজারের উপর দিয়ে।


কামারখালি ও তার আশপাশ বাজার ও রাস্তাঘাট ঘুরে দেখা গেছে বেশির ভাগ মানুষই মাক্স পড়ছে না। উঠতি বয়সের তরুন-তরুনী বয়স্ক মানুষ, দোকানের ক্রেতা বিক্রেতা খেটে খাওয়া মানুষ এ ক্ষেত্রে সবাই উদাসিন। এ ছাড়া অভ্যন্তরিন সড়কগুলোতে চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত ইজি বাইক সিএনজি, মাহিন্দ্র এমনকি চলাচলকারী কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না।
সারা দেশের পাশা পাশি জেলায় দিন দিন করোনা রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যু বাড়লেও সাধরন মানুষের মাঝে সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সরকারি ভাবে মাইকিংয়ে মানুষকে সচেতন করাই চেষ্টা চলছে ।

তাই করোনা সম্পর্কে দৈনিক আমাদের অর্থনীতি মধুখালি প্রতিনিধি সাংবাদিক গৌতম বিশ্বাস বলেন, সাধারন মানুষকে সচেতন এবং মাক্স পড়া ও সামাজিক দূরত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে না পারলে মরনব্যাধি করোনা রোগীর সংখ্য দিন দিন বেড়েই চলছে। তাই জনপ্রতিনিধি, ঈমাম, শিক্ষক, আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিনী এলাকার সচেতন মানুষ ও প্রশাসনকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। তা না হলে করোনার এই ভয়াবহতা ঠেকানো কোন ভাবেই সম্ভব না।

ঈশাহারা নিউজ

বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার মাগুরা জেলা কমিটি গঠিত

মাগুরা প্রতিনিধিঃ মাগুরা জেলা বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে । চলমান এই কমিটি তে মিঠুন চক্রবর্তী সভাপতি ও রথিন বিশ্বাস সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। ১৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যান্য দের মধ্যে রয়েছেন কোষাধক্ষ্য উৎপল রায় সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুরভী ইসলাম। অনুমোদিত এই কমিটি নৃত্যশিল্পের উন্নয়নে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

ঈশাহারা নিউজ

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নায়ক আলমগীর

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির এক সভায় নায়ক আলমগীরকে সভাপতি ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কন্ঠশিল্পী রফিকুল আলমকে কার্যকরী সভাপতি করা হয়েছে। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গঠনতন্ত্রে ২৪ ও ২৬ ধারা মোতাবেক এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় স্টিয়ারিং কমিটির সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য সংগঠনের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী’র মৃত্যুতে সভাপতির পদ শূন্য থাকায় সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি চিত্রনায়ক আলমগীরকে সভাপতি এবং কন্ঠশিল্পী রফিকুল আলমকে কার্যকরী সভাপতি মনোনীত করা হয়।

১৯৭৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট গঠিত হলে পূর্ণাঙ্গ কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি ছিলেন চিত্রনায়ক আলমগীর। তিনি দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গেছেন।

ঈশাহারা নিউজ

বোয়ালমারীতে ছাত্রলীগের মাস্ক বিতরণ

ফরিদপুর জেলাপ্রতিনিধিঃফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের ঘোষিত নতুন আংশিক কমিটির নেতৃত্বে উপজেলার ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ শনিবার (১৯ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বোয়ালমারী পৌর সদরের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাস্ক বিতরণ করেছেন। মহামারী করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগ পথচারী, দোকানদার ও ভ্যান-রিক্সা চালকদের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাস্ক বিতরণ করেন এবং মাস্ক পরিধানে সচেতনতা সৃষ্টি করেন। আগামীতেও ছাত্রলীগের এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে নেতৃবৃন্দ জানান।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালমারী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ মোরতূজা আলী তমাল, সাধারণ সম্পাদক প্রান্ত সিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির হোসেন প্রিন্স, পৌর শাখার সভাপতি মো. আমিনুর শেখ ফাহিম, সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম মৃদুল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাফাত ইসলাম বাপ্পী, মো. সিফাত হোসেন প্রমুখ।

ঈ/নি :সনত চক্রবর্ত্তী

ঈশাহারা নিউজ

বোয়ালমারীতে শ্বশুর কর্তৃক পুত্রবধূ ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা, শ্বশুর আটক

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে শ্বশুর কর্তৃক পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই পুত্রবধূ বাদি হয়ে শনিবার (১৯ জুন) রাতে বোয়ালমারী থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্তকে রবিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের গাছ ব্যবসায়ী পাচু শেখ তার পুত্রবধূকে বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিত। এনিয়ে মাঝেমধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দিত। ওই গৃহবধূর পাঁচ বছর বয়সী এক পুত্র সন্তান রয়েছে। গত ১২ জুন বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে রাত ১০টার দিকে পাচু শেখ তার পুত্রবধূকে (২৬) নিজ কক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় একা পেয়ে জোর করে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ বাদি হয়ে শনিবার (১৯ জুন) রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বোয়ালমারী থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে আদালতে হাজিরের জন্য রবিবার (২০ জুন) দুপুরে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে বোয়ালমারী থানার অফিসার ইন চার্জ মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, ওই গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।. ঈ/নি:সনত চক্রবর্ত্তী

ঈশাহারা নিউজ

গতকাল ২০ মার্চ ১১ টার সময় যশোর-মাগুরা মহাসড়ক দুর্ঘটনা

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

গতকাল ২০ মার্চ ১১ টার সময় যশোর-মাগুরা মহাসড়ক সংলগ্ন চিত্রা মডেল কলেজের সন্নিকটে বাঘারপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দৌলৎপুর গ্রামের মৃত ডা.আব্দুল খালেকের ছোট ছেলে রুবেল হোসেন ট্রাকের সাথে মটরবাইক সংঘর্ষজনিত দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছে।যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা দেন।ভাল ছেলেখ্যাত রুবেলের মৃত্যুর সংবাদে এলাকার নারী পুরুষ শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়ে।তার ৬ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান আছে।আদরের ছোট সন্তানের মৃত্যুতে পাগলপ্রায় বিধবা মা।সদ্য বিধবা হওয়া স্ত্রীর হাহাজারিতে বাতাস ভারী হয়ে যায়।আজ ২১ মার্চ সকাল ১০ ঘটিকায় তার নামাযে জানাজা সম্পন্ন হয়।তার অকাল মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।আমরা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।

ঈশাহারা নিউজ

বেনাপোলে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামি আটক

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ সীমান্ত থেকে নাজমুল হাসান অপু (২৮) নামে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত এক পলাতক আসামীকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আঁচড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ।

আটক অপু বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আঁচড়া গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত পলাতক যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ০৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের সাজা প্রাপ্ত আসামী অপু গোপনে এলাকায় ফিরে বিচরণ করছে। এমন খবরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে আটক করে।

বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মফিজুর জানান, আটক আসামীকে বিচারার্থে যশোর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঈশাহারা নিউজ

বিদ্যমান যেগুলো আছে ওগুলো আগে ঠিক করেন

বিদ্যমান যেগুলো আছে ওগুলো আগে ঠিক করেন …অন্তত একটা আন্তঃনগর কে ভালভাবে চালানোর সামর্থ্য থাকলে করে দেখান …
কেন এই যুগেও??

১)জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ সর্বোচ্চ গতিসীমা ৪০কিমি/ঘন্টা দিয়ে চালানো হয়??
২)হাওরের টাইম চেঞ্জ করে আপে যাত্রীদের নিরাপত্তাহীনতা এবং ডাউনে তিস্তার কাছে বড়সর মাইর দেওয়া হয়?
৩)অগ্নিবীণা এক্স এর টাইম চেঞ্জ করে কেন ট্রেনটাকে মেকি করে তোলা হচ্ছে?সুবিধা কার?
৪)উপবন এক্স এর টাইম চেঞ্জ করে কেন যাত্রীদের বাসমুখী করা হচ্ছে। বাস মালিকদের কাছ থেকে কত টাকা পান?
৫)জয়দেবপুর-টংগি এর মত স্বল্প দুরত্বের রেলপথ কেন ডাবলে রুপান্তর হচ্ছেনা? প্রজেক্টের টাকা গুলো কই
৬)জয়দেবপুর -ময়মনসিংহ ডাবল রেললাইন এর তো কোন বালাই ই নাই
৭)জনপ্রিয় লোকাল গুলো কেন চালানো হচ্ছেনা
৮)ঢাকা-চট্রগ্রাম এর আন্তঃনগর ট্রেনগুলোকে যাচ্ছেতাই ডেথ স্টপেজ দিয়ে কেন প্রায় ১ঘন্টা করে লেট করানো হচ্ছে …
9)মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস এর টাইম চেঞ্জ করে ফাইদা কে পাচ্ছে? বাস মালিক নাকি বেসরকারি কমিউটার?
১০)সিলেট সেকশন নিয়মিত কেন এত দুর্ঘটনা??

বুলেট ট্রেনের কথা চিন্তা না করে ১২/১৩বছর আগে ফিরে যান,, সুবর্ন কিভাবে চলত কয় ঘন্টায় গন্তব্যে পৌছত তা জেনে নিন।। মানুষ উন্নতির জন্য সাম্নের দিকে এগোয়,,আর আপনারা i mean BR পিছনের দিকেই ফিরে যান,, দেখবেন রেলের গৌরব কি ছিল আর এখন কি অবস্থা?

ঈশাহারা নিউজ

যে সন্তানেরা পিতা মাতা ও পরিবারকে কষ্ট দিয়ে প্রেমের জাহাজে চড়ে

পৃথিবীতে যে সন্তানেরা পিতা মাতা ও পরিবারকে কষ্ট দিয়ে প্রেমের জাহাজে চড়ে ভালোবাসার এয়ারপোর্টে পৌঁছে
তারা কখনও সুখী কোম্পানিতে চাকরি করতে পারে না

কারন যে পিতা মাতা তোমাকে সুখী করার জন্য নিজের ঔষুধের টাকায় ভালো ব্যগ কিনে দিত, ভালো জুতা কিনে দিত, ভালো পোশাক কিনে দিত, সেই পরিবারকে কষ্ট দিয়ে কোন সন্তান জীবন সুখী হতে পারেনা

কারণ প্রেম করূন আর ভালোবাসা করূন যায় করূন পিতা মাতা পরিবারকে কষ্ট দিয়ে নয়

সুখী কোম্পানিতে চাকরি করতে চাইলে আগে ওপরের বিষয় গুলি চিন্তা করে জাহাজে চড়ুন এবং এয়ারপোর্টে পৌঁছুন

ঈ/নি :নিউজ ডেক্স

ঈশাহারা নিউজ

শালিখা উপজেলার আড়পাড়া বাজার বনিক সমিতি নির্বাচন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার অন্যতম ব্যবসায়ী কেন্দ্র ও উপজেলা সদর আড়পাড়া বাজার পরিচালনা কমিটি বনিক সমিতির নামে পরিচিত ,এই সমিতির নির্বাচন ঘিরে উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে সারা বাজারে। গুরুত্বপূর্ণ এই সমিতির ক্রীড়া সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি জনাব মোঃ মোজাহার বিশ্বাস। সমিতির সম্মানিত ভোটারদের কাছে তিনি ভোট প্রার্থনা করেছেন। নির্বাচিত হলে তিনি ক্রীড়াক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সচেষ্ট থাকবেন বলে জানান।এছাড়াও তিনি যুব সমাজকে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে সক্রিয় রাখবেন। বাজার উন্নয়নে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন বলে জানান।

ঈশাহারা নিউজ

ঈসাহারা নিউজ পডুন esaharanews.com

ঈসাহারা নিউজ পডুন http://www.esaharanews.com

বিগ্ঙাপন দিন অনলাইনে

পেমেন্ট করুন বিকাশে, রকেটে. নগদের একাউন্টে। ইমেইল: esaharanews@gmail.com

ঈশাহারা নিউজ

মাগুরা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র হলেন খুরশিদ হায়দার টুটুল ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী হয়েছেন ইকবাল অাখতার খান কাফুর।

মাগুরা থেকে স্বপন বিশ্বাস : ১৬ জানুয়ারি মাগুরা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিক নিয়ে ৩৯ হাজার ৪৬৭ ভোট পেয়ে অাবারো মেয়র হলেন খুরশিদ হায়দার টুটুল ।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী বিএনপি ইকবাল অাখতার খান কাফুর ধানের শীষ নিয়ে পেয়েছেন ছয় হাজার তিয়াত্তর ভোট।ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মশিউর রহমান হাতপাখা পেয়েছে তিন হাজার তিন শত পয়তাল্লিশ ভোট।

সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হলেন, সবেতারা বেগম (ওয়ার্ড ১,২,ও ৩), সুরাইয়া আক্তার (ওয়ার্ড ৪, ৫ ও ৬), এবং মনিরা বেগম শাবানা (ওয়ার্ড৭,৮ ও ৯)।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হয়েছেন,
১ নং আবালপুর এ আসিফ আল আছাদ মেলিন (নতুন),২ নং পুলিশ লাইন রিয়াজুল ইসলাম,
৩ নং ভিটেশাইর, রায়গ্রাম এ লিয়াকত (নতুন),৪ নং মোল্লাপাড়া, পারলা মকবুল হোসেন মাকুল, ৫ নং ওয়ার্ড বেলনগর, বরুনাতৈল জাহিদ হোসেন(নতুন), ৬ নং ওয়ার্ডে পারনান্দুয়ালী আব্দুল কাদের গনি মোহন,৭ নং ওয়ার্ড নান্দুয়ালী সাকিব হাসান তুহিন,৮ নং ওয়ার্ডে দোয়ারপাড়, বাটিকাডাঙা আশুতোষ সাহ্। ৯ নং ওয়ার্ডে মাগুরা শহর আবু রেজা নান্টু। কঠর আইন শৃঙ্খলা বলায়ের মাঝে ইভিএম পদ্ধতিতে শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করা হায়েছে।

ঈশাহারা নিউজ

What is journalism? What kind of job is this?

Special Correspondent: A reporter or journalist collects various types of information including news from different parts of the world by compiling news or report and sending it to different media including media. As a professional, a journalist’s job is to help journalism.

Investigative Journalism:
A type of journalism where reporters thoroughly investigate an issue, such as a felony, political corruption, or corporate misconduct. An investigative journalist conducts research on a topic month after month or year after year and prepares a report.

The primary source of information for investigative journalism. Most investigative journalism is done by newspapers and freelance journalists. Practitioners often call this “watchdog reporting” or “accountability reporting.”

The profession of journalist is the 4th pillar of the state. An extremely noble profession and the most honorable. Journalism is also the most risky profession in the world.
This profession requires honest courage and the most skill. You have to have the ability to write such as education talent. In this profession, if you don’t have a cat, you have to be like a tiger. If you want to extort money, you can’t survive for long. Conquer without fear. Survival by the ink of the pen is not lost.

The ink of the pen is sacred, but it may not last long in this profession by defiling this ink. This job suits that person to wake up in love with the country and search for information. Professionals find the news all the time. Staying behind the news all day. Finding data. Journalism is the name of finding out what happened in a minute. The profession is only engaged in the welfare of the country and the nation.

Professional journalists do not bow down to anyone but the Creator. The journey of the pen reveals the only truth. Real journalism emerges through objective news. Of course, journalists have come to this profession after acquiring educational merit and skills. We want a golden Bangladesh, so if we want to build a golden country, we have to be a golden people. That old tradition must be returned .. Dinobandhu Majumdar

ঈশাহারা নিউজ

শালিখায় এক ব্যাক্তিকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা ও চৌদ্দ দিনের জেল

শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি: মাগুরার শালিখায় তালখড়ি-সিংড়া সড়কের পাশে পুকুর খনন করে সরকারি সম্পত্তি বিনষ্টের অভিযোগে আজ শনিবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আলিম বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তিকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা ও চৌদ্দ দিনের জেল অনাদায়ে আরো তিন মাসের জেল দেওয়া হয়েছে। আলিম বিশ্বাস তালখড়ি ইউনিয়নের সিলেটডাঙ্গা গ্রামের অধিবাসী।ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মো: বাতেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মনিরুজ্জামান, উপজেলা বেঞ্চ সহকারী আখতারুজ্জামান এসআই কৌশিক তরফদার প্রমুখ। তথ্য সূত্রে জানা যায়, সরকারি আইন অমান্য করে আলিম বিশ্বাস তালখড়ি সিংড়া সড়কের সোনাডাঙ্গা অংশের রাস্তা ঘেঁষে সরকারি জায়গা দখল করে পুকুর খনন করেছিল যার ফলে রাস্তাটি হুমকির মুখে পড়েছে।

নি/ম:স্বপন বিশ্বাস

ঈশাহারা নিউজ

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বে সেরা উন্নত দেশ -এমপিও রনজিক রায়

বাঘারপাড়া থেকে ফিরে স্বপন বিশ্বাস: শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বে সেরা উন্নত দেশ কথা গুলো বলেছেন যশোর-৪ আসনের এমপি রনজিৎ রায়। তিনি ০৭ জানুয়ারী বাঘারপাড়ার বন্দোবিলা বিজয় চন্দ্র রায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিজয় চন্দ্র রায়ের ৩৯তম মৃত্যু বার্ষিকি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। বিদ্যালয়ের সভাপতি দেবাশিষ রায় এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বন্দোবিলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সৈওকত হোসেন মোল্যা, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ ওহিদুজ্জামান সহ আরো অনেকে। ভাষা আন্দোলনের অন্যতম নেতা বিজয় চন্দ্র রায়ের স্মৃতি চারন করে বক্তরা তার আত্তার শান্তি কামনা করেন। এরপর উক্ত বিদ্যালয় থেকে অবসর নেওয়া ৬ জন শিক্ষককে বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব পরিতোষ কুমার মন্ডল।

ঈশাহারা নিউজ

শালিখায় উপজেলায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস-2021 পালিত হল

স্বপন বিশ্বাস, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি : আজ সারাদেশের ন্যায় মাগুরার শালিখা উপজেলায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস-২০২১ পালিত হয়েছে।দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা সমাজসেবা অফিসে এক আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজসেবা অফিসার নাসিমা খাতুন।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড.কামাল হোসেন।’ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ বির্নিমানে, সেবা ও সুযোগ প্রান্তজনে’ শীর্ষক স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও আড়পাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরজ আলী বিশ্বাস,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অনিতা মল্লিক,আওয়ামী লীগ নেতা মুন্সী মিজানুর রহমান,মো: আলীউজ্জামান,ইমাম উদ্দীন নূরী,গণমাধ্যম কর্মী হাবিবুল হক প্রমূখ।অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মো:সাখাওয়াত হোসেন।

ঈশাহারা নিউজ

বেনাপোলে পরকীয়ার জেরে হত্যা হলো নয়ন : হত্যাকারি স্বামী স্ত্রী 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ : যশোরের বেনাপোল দূর্গাপুর গ্রামে গলায় ফাঁস দিয়ে নৃশংশ ভাবে হত্যা করা আল -আমিন ওরফে নয়ন (২৮) নামে যুবকের হত্যার রহস্য উদঘাটন হত্যাকারি আটক। নিহত নয়ন পোর্ট থানাধীন দূর্গাপুর গ্রামের মৃত মিজানের ছেলে।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ১২ টার সময় বেনাপোল পোর্ট থানাধীন দূর্গাপুর গ্রামস্থ মুত মিজানুর রহমানের বড় ছেলে বেনাপোল স্থল বন্দরের ৩৭নং শেডের এনজিও কর্মী আল-আমিন হোসেন নয়ন (২৭)কে তার নিজ বাসা থেকে অঙ্গতনামা কে বা কারা ডেকে নিয়ে বাড়ির সংলগ্ন নির্মাধীন পাকা বাড়ির পাশে গলায় রসি বা তার দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ ফেলে যায়। এই ঘটনা সংক্রান্তে নিহতের চাচা মোঃ মুন্তাজ আলী বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা করেন। মামলা নং-৪০ তাং-২৮/১২/২০২০ইং, ধারা-৩০২/৩৪।
হত্যার রহস্য দ্রুত উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতারের জন্য যশোর জেলা পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন (পিপিএম) বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার উপর কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
তারই পরিপেক্ষিতে পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন (পিপিএম) এর দিক-নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) জনাব মোহাম্মদ সালাউদ্দিন শিকদার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি জনাব মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম (পিপিএম) এবং নাভারণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জনাব জুয়েল ইমরান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাশের নেতৃত্বে ডিবি’র এসআই মফিজুল ইসলাম (পিপিএম), শামীম হোসেনম নুর ইসলাম সহ বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন খান ও অন্যান্য অফিসার ও ফোর্সের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) বেনাপোল পোর্ট থানাধীন দূর্গাপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনাকালে হত্যায় জড়িত সন্দেহে পোর্ট থানাধীন দূর্গাপুর গ্রামের মৃত লোকমান মির্জার ছেলে জহিরুল ইসলাম ওরফে জহুর আলী ও তার ২য় স্ত্রী কামরুন্নাহার কুটিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে আল-আমিন হোসেন নয়ন এর হত্যার দায় স্বীকার করে তারা।
তাদের স্বীকারক্তি মতে হত্যা কাজে ব্যবহৃত রশি পুড়ানোর আলামত সহ কড়াই ও বেনাপোল মেইন রোড়স্থ এ.জি এন্টারপ্রাইজ নামক হার্ডওয়্যার দোকান হতে নমুনা রশি জব্দ করা হয়।
এসময় জিজ্ঞাসাবাদে তারা নয়ন হত্যার মূল কারন জানায়, ধৃত আসামী জহুর আলীর ২য় স্ত্রী কামরুন্নাহার ওরফে কুটিলার সাথে ভিকটিম আল-আমিন ওরফে নয়নের পরকিয়া সম্পর্ক থেকে শারীরিক সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে কুটিলা অবৈধ সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে স্বামী-স্ত্রী দু’জন মিলে এ হত্যার পরিকল্পনা্ করে ঘটনার রাতে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কুটিলা জানালা দিয়ে ভেকটিমকে ডেকে নিয়ে তার বাড়ি সংলগ্ন নির্মাধীন পাকা বাড়ির দেয়ালের পাশে নিয়ে তারা দু’জন মিলে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ ফেলে যায়।

ঈশাহারা নিউজ

শালিখায় গণতন্ত্রের বিজয় দিবস উদযাপন

শালিখা প্রতিনিধি: মাগুরার শালিখায় উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে গণতন্ত্রের বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

র‍্যালীটি উপজেলা পরিষদ থেকে শুরু হয়ে আড়পাড়া বাজার প্রদিক্ষণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদের মুক্ত মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। আজ বুধবার সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মুক্তমঞ্চে র‍্যালী পরবর্তী আলোচনা সভায় উপজেলা  আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড. শ্যামল কুমার দে এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ৩নং আড়পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরজ আলী বিশ্বাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. শ্রী বীরেন শিকদার।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন আক্তার শাবানা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আবু হানিফ , উপজেলার স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ উপজেলার আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদের নেতৃবৃন্দ প্রমূখ।